রবিবার, ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকআস্থা পেলেই শান্তি আলোচনায় বসবে ইরান
spot_img
spot_img

আস্থা পেলেই শান্তি আলোচনায় বসবে ইরান

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতেই শান্তির পথে হাঁটবে ইরান। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, এজন্য ওয়াশিংটনকে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতা করতে হবে।

শনিবার (৯ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে পেজেশকিয়ান বলেন, সমঝোতা স্মারকের ধারাগুলোর ভিত্তিতে ইরান শান্তির পথে এগিয়ে যেতে চায়।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এখনই একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সবচেয়ে ভালো সময়। কারণ দেশে সংহতি, শক্তি ও ঐক্য রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সমঝোতা স্মারককে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের তৈরি করা অবিশ্বাসের পরিবেশ থেকে সরে আসতে হবে এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় পারস্পরিকতার নীতির ওপরও জোর দেন পেজেশকিয়ান। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতটা তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে, ইরানও সেই মাত্রায় নিজেদের অঙ্গীকার পূরণ করবে।

ইরানি প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো পক্ষ শক্তি প্রয়োগের পথ বেছে নিলে ইরান তা মেনে নেবে না। এ ক্ষেত্রে ইরানের পদক্ষেপের চূড়ান্ত ভিত্তি হবে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সিদ্ধান্ত।

এর আগে শুক্রবার পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান নিজেদের অধিকার রক্ষায় সংলাপ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন যতক্ষণ তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে, ততক্ষণ তেহরানও নিজেদের অঙ্গীকার মেনে চলবে। যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হলে ইরানেরও তা বাস্তবায়ন চালিয়ে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

এর আগে চলতি সপ্তাহে পদত্যাগের গুঞ্জনও নাকচ করেন পেজেশকিয়ান। তিনি জানান, তিনি দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন। সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইরানের নেতৃত্বে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে—এমন গুঞ্জনের মধ্যেই তার এই বক্তব্য আসে।

জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। এতে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে দুই পক্ষের ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনা করার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে সেই আলোচনার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments