সোমবার, ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম
spot_img
spot_img

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে লাল-হলুদ ক্যাপসিকাম

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: খাবারের স্বাদ, রং ও সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি লাল ও হলুদ ক্যাপসিকামে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উপাদান শরীরের কোষকে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই নিয়মিত খাবারের তালিকায় এসব রঙিন ক্যাপসিকাম রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর প্রচেষ্টায় সহায়ক হতে পারে।

ক্যাপসিকাম পরিপক্ব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর রং সবুজ থেকে হলুদ ও লালে পরিবর্তিত হয়। এ সময় এতে থাকা কিছু উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদানের পরিমাণও বাড়তে পারে। লাল ক্যাপসিকামে ক্যাপসানথিন, ক্যাপসোরুবিন ও লাইকোপেনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। অন্যদিকে হলুদ ক্যাপসিকামে রয়েছে লুটেইন ও ভায়োলাক্সান্থিনের মতো উপকারী উপাদান।

এসব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে অক্সিডেটিভ চাপ কমাতে এবং কোষকে ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। কোষের ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু ক্যাপসিকাম খাওয়ার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ বা চিকিৎসা সম্ভব নয়। বরং এটি বৈচিত্র্যময় ও পুষ্টিকর খাদ্যতালিকার একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

লাল ও হলুদ ক্যাপসিকামের পুষ্টিগুণ

লাল ক্যাপসিকামে থাকা বিভিন্ন ক্যারোটিনয়েড শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করতে পারে। একইভাবে হলুদ ক্যাপসিকামের লুটেইন ও ভায়োলাক্সান্থিনও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই খাবারে সম্ভব হলে এক ধরনের ক্যাপসিকামের বদলে বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকাম রাখা যেতে পারে।

কীভাবে খেলে পুষ্টিগুণ বেশি পাওয়া যাবে

অতিরিক্ত সময় ধরে বা বেশি তাপে রান্না করলে ক্যাপসিকামের কিছু পুষ্টি উপাদান, বিশেষ করে ভিটামিন সি, কমে যেতে পারে। তাই কাঁচা সালাদ হিসেবে, হালকা ভাপে অথবা অল্প তেলে দ্রুত স্টার-ফ্রাই করে খাওয়া যেতে পারে।

ক্যাপসিকামে থাকা কিছু ক্যারোটিনয়েড শরীরে শোষিত হতে স্বাস্থ্যকর চর্বি সহায়ক হতে পারে। এজন্য অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল বা সরিষার তেলের সঙ্গে ক্যাপসিকাম খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।

ভেতরের সাদা অংশও ব্যবহার করা যায়

ক্যাপসিকাম কাটার সময় ভেতরের সাদা অংশ পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এতে কিছু উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদান থাকতে পারে। তবে শক্ত বীজ ও কোর সরিয়ে বাকি অংশ খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ডাল বা ছোলার সঙ্গে ক্যাপসিকাম

ক্যাপসিকামে থাকা ভিটামিন সি উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে আয়রন শরীরে শোষণে সহায়তা করে। তাই ডাল, ছোলা, পালং শাকের মতো আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে লাল বা হলুদ ক্যাপসিকাম যোগ করা যেতে পারে। এতে খাবারের পুষ্টিমান আরও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম যোগ করা স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তোলার সহজ একটি উপায়। তবে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর জন্য কোনো একক খাবারের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করাও জরুরি।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments