
জানা যায়, প্রয়োজনের তুলনায় ৭০-৮০ জন বেশি কর্মী রয়েছে ডিএসইতে। সেই
অতিরিক্ত জনবলের ব্যাখ্যা চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। এবং ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য ম্যানেজমেন্টকে ৩ কার্যদিবস সময় দেয়া হয়েছে। ম্যানেজমেন্টের প্রতিবেদন আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে পর্ষদ সভায় উপস্থাপন করা হবে। তারপর অতিরিক্ত জনবলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তারপর সি লেভেলের (সিএফও, সিটিও, সিআরও এবং সিওও) বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ডিএসই সূত্রে আরো জানা যায়, বর্তমানে ডিএসই লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তবে কর্মীদের পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ছে না। শেয়ারহোল্ডাররা ৫ শতাংশ লভ্যাংশ পাবেন তার নিশ্চয়তা নেই। এ পরিস্থিতিতে খরচ কমানো ছাড়া ডিএসইর সামনে পথ নেই।
এর আগে মানবসম্পদ পর্যালোচনা করার অংশ হিসেবে গত মাসে স্বতন্ত্র পরিচালক সালমা নাসরিনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ডিএসই। কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়- স্বতন্ত্র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, মুনতাকিম আশরাফ, অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ ও ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ছানাউল হককে। এ কমিটিকে কর্মীদের কাজের পরিমাণ ও দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করতে বলা হয়। সেই সঙ্গে বিভাগভিত্তিক কী পরিমাণ মানবসম্পদ প্রয়োজন এবং কী পরিমাণ অতিরিক্ত বা ঘাটতি আছে তাও মূল্যায়ন করতে বলা হয়েছে।
তার ভিত্তিতেই কমিটির দেয়া প্রতিবেদনে ডিএসইতে অতিরিক্ত জনবল থাকার তথ্য উঠে এসেছে, যা ডিএসইর পর্ষদ সভায় তুলে ধরা হয়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম
































Recent Comments