ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আজকাল ত্বকের যত্নে নানা ধরনের নামি-দামি ব্রাণ্ডের পণ্য ব্যবহার করা হয়। অথচ প্রাচীনকালে নারীরা সৌন্দর্যচর্চার জন্য প্রাকৃতিক উপাদানের উপরই ভরসা করতেন। এসব উপাদানের মধ্যে বিভিন্ন সুগন্ধি ফুল অন্যতম। আয়ুর্বেদ বলছে ,ফুল দিয়ে তৈরি ফেস মাস্ক, তেল ও টনিক ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখত। প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে এসব ফুল ব্যবহার করতে পারেন। যেমন-
গোলাপ
গরম আবহাওয়ায় ত্বককে ঠান্ডা ও শান্ত রাখতে গোলাপ জলের ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকেই জনপ্রিয়। এ ছাড়া গোসলের জলে ও চুলে মাখার তেলেও গোলাপের নির্যাস মেশানো হতো। গোলাপের পাপড়িতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান খসখসে ভাব দূর করে ত্বককে হাইড্রেটেড বা আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।
জাফরান
জাফরান মূলত মসলা হলেও এটি আসে ক্রোকাস স্যাটিভাস ফুল থেকে। দামের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই এটি ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। রাজা-রানিরা জাফরান দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ফেস মাস্ক হিসেবে মুখে লাগাতেন। এ ছাড়া চন্দন ও বিশেষ ক্রিমের সঙ্গে এটি মিশিয়ে ব্যবহার করা হতো। এই মিশ্রণ ত্বকের ভিতর থেকে এক সোনালি আভা বা ঔজ্জ্বল্য ফুটিয়ে তুলত।
পদ্ম
গোসলের পানি পদ্মর পাপড়ি ছড়িয়ে দিলে তা শরীর শীতল করে। ইতিহাসের বিভিন্ন পাতায় এর উল্লেখও পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে রানিরা তাদের সৌন্দর্য ধরে রাখতে পদ্মের নির্যাস ব্যবহার করতেন।
জুঁই
প্রাচীনকাল থেকেই ফেস ম্যাসাজের তেল,গোসলের পানি ও বিভিন্ন ভেষজ মিশ্রণে জুঁই ফুলের নির্যাস ব্যবহার করা হতো। এর চমৎকার সুগন্ধ মানসিক চাপ ও ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে নরম ও কোমল রাখতে বেশ কার্যকরী। সূত্র : এই সময়
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম





























Recent Comments