বৃহস্পতিবার, ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআজকের সংবাদদুই মাসের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড-মার্জিন রুলস বাতিলের আশ্বাস বিএসইসি চেয়ারম্যানের
spot_img
spot_img

দুই মাসের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড-মার্জিন রুলস বাতিলের আশ্বাস বিএসইসি চেয়ারম্যানের

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে বিতর্কিত মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা–২০২৫ এবং মার্জিন রুলস–২০২৫ আগামী দুই মাসের মধ্যে বাতিল করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)–এর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান। সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন–এর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন।

বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ)–এর কার্যালয়ে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিউচুয়াল ফান্ড বিনিয়োগকারী ফোরাম–এর সভাপতি জহুরুল হক জুয়েল।

এতে বক্তারা বলেন, বিগত কমিশনের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত শেয়ারবাজারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত দুটি সিদ্ধান্ত হলো মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা–২০২৫ এবং মার্জিন রুলস–২০২৫, যেগুলোকে বক্তারা ‘কালো আইন’ হিসেবে আখ্যা দেন। যা বাতিলের আশ্বাস দিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমানে দেশের ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর অধীনে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার তালিকাভুক্ত শেয়ার বিনিয়োগ রয়েছে, যা বাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগভিত্তি। এসব মেয়াদি ফান্ডকে অবসায়ন বা রূপান্তরের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে বাজারে বড় ধরনের বিক্রির চাপ তৈরি হবে এবং সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। তাদের আশঙ্কা, এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মোট বিক্রির চাপ ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে।

বক্তারা বলেন, ওপেন-এন্ড ফান্ডে রূপান্তর করলেও সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ ইউনিটধারীরা অর্থ ফেরত চাইলে ফান্ডকে সম্পদ বিক্রি করতেই হবে, যা শেষ পর্যন্ত বাজার থেকে অর্থ বের করে নেবে।

কর্মসংস্থান সংকটের আশঙ্কা :

সেমিনারে আরও বলা হয়, দেশের ৬৭টি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ড কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী যুক্ত। মেয়াদি ফান্ড অবসায়নের ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান সংকট দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান বক্তারা।

অবৈধ নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন :

বক্তারা বিএসইসিতে আগের কমিশনের সময়কালে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২৭ জন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, এসব কর্মকর্তার একটি অংশ বিতর্কিত আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে শেয়ারবাজারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments