ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে এই গরম তো এই বৃষ্টি। কিন্তু ভ্যাপসা গরম ভাব যেন
কমছেই না। এই গরমে বাইরে বের হলেই ঘেমে অস্থির।
গলদঘর্ম হয়েই অফিস করছেন অনেকে। কিন্তু মৌসুমের এই স্বাভাবিক প্রবণতাই আপনার কিডনির অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ভারতের কিডনি চিকিৎসক উদিত গুপ্ত বলেছেন, সমস্যার মূলে শুধু গরম বা ঘাম নয়, আসলে রয়েছে পানিশূন্যতা। তাপমাত্রা বেশি থাকলে ঘাম হবেই। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে পানি ও খনিজ বেরিয়ে যায়। সেই ঘাটতি পূরণে দরকার হয় পানি কিংবা তরল খাবার খাওয়ার। কেউ যদি তা পান না করেন, তখনই চাপে পড়ে কিডনি।
আর শরীরের যাবতীয় দূষিত পদার্থ রক্ত থেকে ছেঁকে বার করে দেওয়ার গুরুদায়িত্ব পালন করে থাকে কিডনি। আর এ প্রত্যঙ্গটিকে সেই কাজে সাহায্য করে থাকে পানি। শরীরে পানির ঘাটতি হলে যেমন শারীরবৃত্তীয় কাজে বাধা পড়ে, ঠিক তেমনই রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ায় কিডনিও সমস্যা পড়ে যায়। শরীরে পানির অভাব হলে কিডনি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে বাড়তে পারে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও। চিকিৎসক তার ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন। শরীরে পানির অভাব হলে প্রস্রাবও ঘন হয়ে যায়। ফলে প্রস্রাবের সঙ্গে থাকা খনিজ, যেমন— ক্যালশিয়াম, অক্সালেট, ইউরিক অ্যাসিড থিতিয়ে পড়ে। ঠিক সেগুলো জমাট বেঁধে তৈরি হয় পাথর।
আর শরীরে পানিশূন্যতা কিংবা পানির ঘাটতি দিনের পর দিন চলতে থাকলে কিডনির ওপর চাপ বেড়ে যায়। তা থেকে যেমন প্রস্রাবের সংক্রমণ হতে পারে, ঠিক তেমনই কিডনির মারাত্মক ক্ষতিও হতে পারে।
চিকিৎসকরা মনে করছেন, পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে, দিনের পর দিন পানি খাওয়া খুব কম হলে কিডনির স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সে জন্য কিডনি ভালো রাখতে যেমন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া জরুরি, ঠিক তেমনই সেই মাত্রা নির্দিষ্ট হওয়া দরকার। অতিরিক্ত পানি খেলেও কিডনির ওপরে চাপ বেশি পড়ে। ওজন, কায়িক শ্রম, মৌসুম অনুযায়ী পানির মাত্রা নির্দিষ্ট রাখতে হবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম





























Recent Comments