বৃহস্পতিবার, ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআজকের সংবাদসি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলকে দাঁড় করানো কঠিন: শেয়ার কারসাজি হলে তদন্ত করা...
spot_img
spot_img

সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলকে দাঁড় করানো কঠিন: শেয়ার কারসাজি হলে তদন্ত করা উচিত

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল লিমিটেডকে অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আলিফ গ্রুপ। গত ৫ বছর ধরে এ কোম্পানির সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং দায়দেনা রয়েছে ২৫০ কোটি টাকার উপর। আর এ কোম্পানিকে দাঁড় করানো খুব কঠিন বলে মনে করেন আলিফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আজিমুল ইসলাম। আজ ১ নভেম্বর আলিফ গ্রুপের সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল অধিগ্রহণ এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কিত আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আজিমুল ইসলাম বলেন, বিডি ওয়েল্ডিং, সেন্ট্রাল ফার্মা কোম্পানির বোর্ডে প্রবেশের জন্য উদ্যোগ নেই। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় সে উদ্যোগ সফল হয়নি। অন্যদিকে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলকে অধিগ্রহণ করার উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের এই উদ্যোগের ফলে বাজারে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী শেয়ার কারসাজি করে দর বৃদ্ধি করতে পারে। এতে আমাদের কোন হাত নেই। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তদন্ত করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল প্রসঙ্গে আলিফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গত ৭ অক্টোবর ২০২১ বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল লিমিটেড অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয় বিএসইসি। এর মধ্যে ব্যাংকের দায়দেনা পরিশোধ, গ্যাস লাইনসহ অন্যান্য ইউটিলিটিগুলোর সংযোগ এবং স্থানান্তরের মতো নানা শর্ত রয়েছে। সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের গত ৫ বছর ধরে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সুদসহ ব্যাংকের দেনা প্রায় ২৫০ কোটি টাকা। সুদ ছাড়া অন্যান্য দেনা রয়েছে ২২ কোটি টাকার উপর। কিছু যন্ত্রপাতি একেবারে নতুন রয়েছে যা এখনও ব্যবহারই হয়নি। গ্যাস লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্ড লাইসেন্স স্থগিত, সম্পদ ও দায়ের অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। এছাড়া বর্তমান উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

উল্লেখিত সমস্যা থেকে উত্তোরণে আজিমুল ইসলাম বলেন, আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি আবার কোম্পানিটি চালু করতে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এজন্য দ্রুত একটি শেয়ার মানি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলা হবে, যেখানে শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসাবে এই অর্থ পর্যায়ক্রমে জমা রাখা হবে। এই অর্থ ব্যাংক ঋণ নিয়মিতকরণ, ফ্যাক্টরী ও যন্ত্রপাতির বিএমআরইতে ব্যয়, পুনরায় গ্যাস লাইন চালু করতে, বন্ড লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং কোম্পানির কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে ব্যয় হবে। এজন্য দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। আগামী দুই তিন মাসের মধ্যে গ্যাস সংযোগ পুন:স্থাপন করতে পারলে, আশা করছি ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে উৎপাদনে যেতে পারব। তবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে সময় আরো বেশি লাগতে পারে বলে জানান তিনি।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/নি.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments