সোমবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeকোম্পানি সংবাদওটিসির ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজ পুন:গঠন: স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়ে‍াগ
spot_img
spot_img

ওটিসির ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজ পুন:গঠন: স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়ে‍াগ

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: দীর্ঘ দিন ধরে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে পড়ে থাকা ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে পাঁচ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

তথ্যমতে, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজের পুনর্গঠিত পর্ষদে বিএসইসির মনোনীত স্বতন্ত্র পরিচালকরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেখ রফিক হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. সুমন দাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিনহাজ ফেরদৌস, সাবেক ব্যাংকার (ন্যাশনাল ব্যাংক) এ কে এম দেলোয়ার হোসেন মালদার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সেজুতি রহমান। এছাড়া ন্যূনতম দুই জন বা তার বেশি শেয়ারহোল্ডার পরিচালক মনোনয়নের জন্য কোম্পানিকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

সম্প্রতি ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্য পরিচালকদের কাছে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিএসইসি। একইসঙ্গে বিষয়টি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ও সেন্ট্রার ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) জানানো হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে কোম্পানিটি ভবিষ্যতে আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে। নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার পরিচালকরা কোম্পানির আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবেন। কোম্পানিটি গতি ফিরে পেলে বিনিয়োগকারীরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে মনে করছে কমিশন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শেয়ারবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে বিভিন্ন দুর্বল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। বর্তমানে উৎপাদন কার্যক্রম নেই, এমন কোম্পানিগুলোতেও পর্যায়ক্রমে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে।’

তথ্য মতে, ১৯৯৬ সালে ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েজ দেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ৫ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার সংগ্রহ করে। পরবর্তী সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের নিয়মিত লভ্যাংশ না দেওয়ায় ২০০৯ সালে ওটিসি মার্কেটে স্থানান্তরিত হয়। এরপর দীর্ঘ ১১ বছরের বেশি সময় ধরে কোম্পানিটির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে উন্নতি হয়নি। স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত থাকার পরও সিকিউরিটিজ আইন যথাযথভাবে পরিপালন করছে না কোম্পানিটি। বরং প্রতিনিয়তই আইন লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। দীর্ষ এ সময়ের মধ্যে আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ার পেছনে কোম্পানিটির স্বতন্ত্র পরিচালকসহ পরিচালনা পর্ষদ সদস্যদের ব্যর্থতা রয়েছে বলে মনে করে বিএসইসি।

এছাড়া, কোম্পানিটির ১০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের মাত্র ৮ শতাংশ রয়েছে একজন উদ্যোক্তা পরিচালক কামরুন নেছার হাতে। এছাড়া একজন বিদেশি উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে ২৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন ধরে ওই উদ্যোক্তার কোম্পানি পরিচালনায় কোনো ভূমিকা নেই। আর দীর্ঘ ৯ বছর ধরে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করছে না কোম্পানিটি।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/রর

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments