শনিবার, ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাকিডনি সুস্থ রাখতে কী খাবেন
spot_img
spot_img

কিডনি সুস্থ রাখতে কী খাবেন

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের ওপর রেনাল লোড বা কিডনির ওপর চাপ নির্ভর করে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে পুষ্টির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।

রেনাল লোড কী
আমরা যে খাবার খাই, তা থেকে শরীরে বিভিন্ন বর্জ্য তৈরি হয়—যেমন ইউরিয়া, সোডিয়াম, পটাশিয়াম। এগুলো ছাঁকতে (ফিল্টার) কিডনিকে প্রতিনিয়ত কাজ করতে হয়। এই কাজের চাপকেই বলা হয় রেনাল লোড। প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন, লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এই রেনাল লোড বাড়ায়, যে কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কিডনি সুস্থ রাখার ১০টি টিপস
পর্যাপ্ত পানি পান: প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস (শরীর ও আবহাওয়া অনুযায়ী পানির পরিমাণ বাড়তে পারে)। প্রস্রাব হালকা স্বচ্ছ রঙের থাকলে বুঝবেন পানির পরিমাণ ঠিক আছে।

লবণ কম খাওয়া: দিনে ১ চা–চামচ বা তার কম, শুধু রান্নায় লবণ ব্যবহার করুন। কাঁচা বা ভাজা লবণ পরিহার করুন। অতিরিক্ত লবণ কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপের জন্য ক্ষতিকর।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়ান: চিপস, ফাস্ট ফুড, ক্যানজাত খাবার বাদ দিন। এগুলোয় লবণ ও রাসায়নিক উপাদান বেশি থাকে।

সুষম খাবার: শাকসবজি, ফল, দেহের ওজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত প্রোটিন (বিশেষ করে লাল মাংস) যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা রক্তচাপ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এগুলো কিডনির রোগের প্রধান কারণ। নিয়মিত চেকআপ করুন।

ব্যথার ওষুধ: অকারণে বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।

ধূমপান ও অ্যালকোহল: এসব এড়িয়ে চলুন। এগুলো কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন কিডনির ওপর চাপ ফেলে।

নিয়মিত পরীক্ষা: নিয়মিত রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এতে সমস্যা শুরুতেই ধরা পড়ে।

কীভাবে বুঝবেন কিডনি আক্রান্ত
অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু ক্ষেত্রে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

● শরীর ফুলে যাওয়া (পা/মুখ)।

● প্রস্রাবে সমস্যা, প্রস্রাবে ফেনা বা রক্তপাত।

● দুর্বলতা

● ক্ষুধামান্দ্য

মনে রাখতে হবে, কিডনির রোগ হঠাৎ করে হয় না—এটি ধীরে ধীরে বাড়ে। তাই সচেতন হলে বড় জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments