
জানা যায়, বাংলাদেশ সিসিউসিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইন ২০১৩ এর ধারা ২২ এর উপবিধি (৩) এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সিসিউসিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) বিধিমালা ২০২০ এর প্রণয়নের জন্য এর খসড়ার ওপর মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের নিমিত্তে ২৩ জুন ২০২০ তারিখে গেজেট প্রকাশের পর তিন সপ্তাহের মধ্যে মতামত, পরামর্শ বা আপত্তি আহবান করা হয়। পূর্ববর্তী সময় ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ উক্ত বিধিমালার ওপর মতামত দিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ হাউজের ঘটনার প্রেক্ষিতে ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ট্রেকহোল্ডারদের আর্থিক ভিত্তি মজবুত করার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে, তারই ধারাবাহিকতায় ট্রেক বিধিমালায় যাতে নতুন ট্রেকহোল্ডারদের আর্থিক ভীত মজবুত হয় সে লক্ষ্যে পরিচালনা পর্ষদ পরপর দুটি সভা করে নতুন ট্রেক ইস্যুর লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে নিন্মোক্ত প্রস্তাবসমূহ উল্লেখিত বিধিমালায় অন্তর্ভুক্তির জন্য বিএসইসিতে প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এগুলো হলো: পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা, নিবন্ধন ফি ৫ কোটি টাকা (অফেরতযোগ্য), নিরাপত্তা জামানত ৫ কোটি টাকা, নতুন ট্রেক ফরম ১০ লাখ টাকা এবং ট্রেক সনদের বার্ষিক নবায়ন ফি ১ লাখ টাকা।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মাজ.























Recent Comments