
ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসকের পরামর্শে ১৪ দিনের ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকবেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে সরকারের নির্বাহী আদেশে ও শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া।

এর আগে বুধবার সকালে খালেদার পরিবারের আবেদনের ফাইলে সই করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে কারা অধিদফতরে পাঠানো হয়। কারা অধিদফতর তাদের নিয়ম অনুযায়ী মুক্তির ব্যবস্থা করে।
কারা সূত্র জানায়, সাজা বাতিলের ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যায়। সেখানে স্বরাষ্ট্র সচিবের স্বাক্ষরের পর কারা অধিদফতরে যায়। কারা অধিদফতর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করে। সেই কাগজ নিয়ে বিএসএমএমইউতে গিয়ে খালেদাকে মুক্তির ব্যবস্থা করেন জেল সুপার।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে হঠাৎ করেই ডাকা সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
তিনি বলেন, মানবিক দিক বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই শর্তে তাকে মুক্তি দেয়ার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। খালেদা জিয়া বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং বিদেশ যেতে পারবেন না- এমন শর্তে তাকে মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

২ বছর ১ মাস ১৭ দিন সাজা খাটার পর সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের জিম্মায় তাকে মুক্তি দেয়া হয়। এ সময়কালে তিনি বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নেবেন। মুক্তির শর্ত হিসেবে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না। শর্ত ভঙ হলে তাকে গ্রেফতার করা হবে।
































Recent Comments