ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বর্তমান সময়ে অসুস্থতা, বার্ধক্য কিংবা শারীরিক অক্ষমতার কারণে অনেক মুসল্লিকে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। তবে চেয়ারে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে, কাতারে বসার সময় চেয়ারের কোন অংশকে ভিত্তি ধরে অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে? অনেকেই চেয়ারের সামনের পা কাতার বরাবর রাখেন, আবার কেউ পেছনের পা মিলিয়ে বসেন। ফলে কাতারের শৃঙ্খলা ও সমতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
ইসলামি ফিকহবিদরা এ বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়াবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি দাঁড়াতে সক্ষম না হন এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো নামাজ চেয়ারে বসে আদায় করেন, তাহলে কাতারে দাঁড়িয়ে থাকা মুসল্লিদের পায়ের রেখা বরাবর চেয়ারের পেছনের দুই পা রাখতে হবে। অর্থাৎ, কাতারে তার অবস্থান নির্ধারিত হবে চেয়ারের পেছনের পা দ্বারা। এতে কাতারের সমতা বজায় থাকবে এবং তিনি কাতার থেকে সামনে এগিয়ে যাবেন না।
দাঁড়াতে সক্ষম হলেও রুকু-সেজদা বসে করলে
যদি কোনো ব্যক্তি ক্বিয়াম (দাঁড়ানো) করতে সক্ষম হন, কিন্তু রুকু ও সেজদা চেয়ারে বসে আদায় করতে হয়, তাহলে তিনি কাতারে থাকা মুসল্লিদের সঙ্গে সমানভাবে দাঁড়াবেন। এ ক্ষেত্রে চেয়ারটি কিছুটা পেছনে রাখবেন, যাতে দাঁড়ানো অবস্থায় তিনি কাতারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকেন। তবে চেয়ার পেছনে নেওয়ার কারণে যদি পেছনের কাতারের মুসল্লিদের চলাচল বা নামাজে বিঘ্ন ঘটে, তাহলে সে ক্ষেত্রে প্রথম পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। অর্থাৎ কাতারের পা বরাবর চেয়ারের পেছনের পা রেখে নামাজ আদায় করবেন (ফতোয়া নম্বর: ১২৯৪-১১৬৯/এল=১১/১৪৪০)
করণীয়
চেয়ারে বসে নামাজ আদায়কারী মুসল্লিদের উচিত এমনভাবে অবস্থান নেওয়া, যাতে কাতারের শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ন থাকে এবং অন্য মুসল্লিদের জন্য কোনো ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি না হয়। শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক অবস্থান বজায় রেখে নামাজ আদায় করলে ইবাদতের সৌন্দর্য ও জামাতের শৃঙ্খলা উভয়ই রক্ষা পায়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম




























Recent Comments