শুক্রবার, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাডেঙ্গু রোগের খাদ্যাভ্যাস ও করণীয়
spot_img
spot_img

ডেঙ্গু রোগের খাদ্যাভ্যাস ও করণীয়

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় সচেতন হচ্ছেন মানুষ, তবে ডেঙ্গু হয়ে গেলে যেহেতু কোনো ঔষধ নেই তাই খাদ্যাভ্যাসে কিছু নতুন বিষয় যুক্ত করতে পারলে ভালো। যেসব খাবার ডেঙ্গু রোগে সরাসরি বাজে প্রভাব ফেলবে না এবং যা এড়িয়ে চলতে হবে।

প্রোটিনজাতীয় খাবার তাড়াতাড়ি রোগ সারাতে মুখ্য ভূমিকা নেয়। তাই ডেঙ্গু হলে খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে মাছ, মাংস, ডাল, ডিম, বাদাম ইত্যাদি।

জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে প্রচুর তরল খাবার দিতে হবে। পানি, ডাবের পানি, ফলের শরবত উপকারি। শক্ত খাবারের পরিবর্তে খাদ্যতালিকায় রাখুন জাউভাত, পাতলা খিচুড়ি মাংসের স্যুপ, দইয়ের লাচ্ছি ইত্যাদি। এক্ষেত্রে খাবার দু-আড়াই ঘণ্টা অন্তর পরিবেশন করা ভালো।

খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে দুধ, দই ও দুগ্ধজাত খাবারের প্রোবায়োটিকসের সমৃদ্ধ সব খাবার। দইয়ে থাকা ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের উপকার করে। দুগ্ধজাত খাবার খেলে শরীরে পটাশিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়ামের পরিমাণ ঠিক থাকে।

রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। তাই খাবার পাতে রাখুন পালংশাক, সামুদ্রিক মাছ, কলিজা, মিষ্টিকুমড়া, ডালিম, মটরশুঁটি, ছোলা, মসুর ডাল, কচুশাক ইত্যাদি। এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, যা রোগীর শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে ডালিমে। রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে এটি দ্রুত কাজ করে। ডালিম খেলে ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভূতিও দূর হবে।

প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে ভিটামিন সি। কমলালেবু, পাতিলেবু, জলপাই, আনারস, বেরি, কিউই ফলসহ মৌসুমি টকফল এই ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস।

ভিটামিন কে এবং আই-এর সমৃদ্ধ উৎস সবুজ শাকসবজি। এই দুটি ভিটামিনই রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন। পার্সলে পাতা, পালং শাক, পুদিনা, বাধাকপি, শতমূলী ইত্যাদি রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে পেঁপে পাতার রস। তেতো লাগলেও এটি এসময় বেশ উপকারি। তবে তা খেতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট নিয়মে।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে আতঙ্ক না হয়ে ঠিকমতো বিশ্রাম এবং সঠিক খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে বেশিরভাগ মানুষই দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠেন। রক্তক্ষরণ বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া ডেঙ্গু হলে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন- তৈলাক্ত ও ভাজা খাবার,
প্রক্রিয়াজাত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার, মসলাযুক্ত খাবার, আচার চিনিযুক্ত খাবার, কাঁচা সবজি সহ এড়াতে হবে উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, চা-কফি, কোকো, অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় ইত্যাদিও।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments