রবিবার, ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeঅন্যান্যদিনভর সূর্যের দেখা নেই জয়পুরহাটে, শীতে কাঁপুনি
spot_img
spot_img

দিনভর সূর্যের দেখা নেই জয়পুরহাটে, শীতে কাঁপুনি

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: সীমান্তঘেঁষা জেলা জয়পুরহাটে গত তিনদিন ধরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। দিনের বেলায় কিছুটা সহনীয় হলেও রাতের বেলায় ঠান্ডা বাতাসে শীতের তীব্রতা বাড়ে কয়েকগুণ। গত দুদিন সূর্যের দেখা মিললেও আজ সোমবার একেবারেই আলো আসেনি বাড়ির উঠানে। রাস্তায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। শীতের প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। বিপাকে পড়েছে স্বল্পআয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন।

বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সমকালকে জানান, সোমবার জয়পুরহাটসহ পার্শ্ববর্তী নওগাঁর বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দুদিন- গত শনিবার ও রোববার তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৮ এবং ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তখন ঘন কুয়াশার মধ্যেও রোদের দেখা মিলেছিল কিছুটা। তবে আজ সোমবার সকাল থেকেই সূর্যের দেখা মেলেনি। উত্তরের হিমেল বাতাস অব্যাহত থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

এ অবস্থায়ও থেমে নেই স্বল্পআয়ের মানুষের কাজকর্ম। পরিবারের জন্য কনকনে শীত উপেক্ষা করে ঘরের বাইরে ছুটতে হচ্ছে তাদের।

জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের বাসচালক কেরামত আলী বলেন, কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। আর ঠান্ডায় যাত্রীও কম। এ অবস্থা চলতে থাকলে অল্পদিনের মধ্যে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখতে হবে।

কথা হয় জয়পুরহাট সদরের পাকার মাথা এলাকার চায়ের দোকানদার আক্কাস আলীর সঙ্গে। তার দোকানের উপর কয়েকটি টিনের ছাউনি আর চারদিকে খোলা। অনবরত তাকে পানি স্পর্শ করতে হচ্ছে চায়ের কাপ পরিষ্কার করতে। পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসে তার শরীর হিম হয়ে উঠেছে।

আক্কাস আলী বলেন, একদিন দোকান বন্ধ থাকলে সবাইকে না খেয়ে থাকতে হবে। পরিবারের তাগিদে এমন শীতে আমাকে দোকান খোলা রাখতে হচ্ছে। যখন কুলাতে পারছি না তখন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছি।

অটোভ্যান চালক বালা মিয়া বলেন, হার কাঁপানো এই শীতে সবাই ঘরে রয়েছে, আমাকে পেটের দায়ে ভ্যান নিয়ে রাস্তায় বের হতে হয়েছে। ভ্যান চালিয়ে সারা দিনে যেটুকু পাই, তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। শীত নিবারণের গরম কাপড় কী দিয়ে কিনবো। শুনতে পাচ্ছি, অনেকেই কম্বল আবার কেউ কেউ জ্যাকেট পেয়েছে। কই, আমি সারা দিন রাস্তায় পড়ে আছি, কেউ একটি কম্বল বা জ্যাকেটও তো দেয়নি আমাকে।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments