বুধবার, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeজাতীয়দেশেই জটিল রোগের চিকিৎসা, বিদেশ যেতে হচ্ছে না: স্পিকার
spot_img
spot_img

দেশেই জটিল রোগের চিকিৎসা, বিদেশ যেতে হচ্ছে না: স্পিকার

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘গত ১৪ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আগে যেসব রোগের জন্য রোগীরা বিদেশে ছুটে যেতেন, বর্তমানে সেসব রোগের চিকিৎসা দেশেই দেওয়া হচ্ছে। যে কারণে রোগীদের অর্থ ও সময় ব্যয় করে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হচ্ছে না।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছে, চিকিৎসকদের দক্ষতাই এর বড় উদাহরণ। অসংখ্য ব্যয়বহুল পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেশে স্বল্পমূল্যে করা হচ্ছে। বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা, শত শত জটিল অপারেশন দেশেই করা হচ্ছে। এমনকি, কিডনি, লিভার, বোনমেরো ট্রান্সপ্লান্ট, হৃদরোগের বাইপাস ও নিউরোসার্জারিসহ অনেক চিকিৎসা এখন নিয়মিত দেশেই হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘বিগত ১৪ বছরে স্বাস্থ্য খাতে আমাদের সফলতা অনেক বিস্তৃত। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবা এখন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে, তাও অনেক স্বল্পমূল্যে। সারাদেশে ৬ শতাধিক হাসপাতাল নির্মাণ, হৃদরোগ, ক্যান্সার, নিউরো সায়েন্সসহ বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। যেখানে ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
স্পিকার বলেন, ‘২০০৯ সালে দেশে মাত্র ৫০টি মেডিক্যাল কলেজ ছিল, যা বর্তমানে বেড়ে হয়েছে ১১৫টি। শিক্ষার্থীদের জন্য এমবিবিএস আসন ছিল ২ হাজার ৫০টি, যা বর্তমানে ১০ হাজার ৭৮৯টিতে উন্নীত হয়েছে। সরকারি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজের সংখ্যা ১৩টি থেকে ৩৭টিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে সরকার স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। বিগত ১৪ বছরে ২০ হাজার চিকিৎসক ও ৪০ হাজার নার্স-মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ডা. শারফুদ্দিন আহমেদকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তিনি প্রথমবারের মতো বিগত ২৫ বছরের শিক্ষার্থীদের একই প্লাটফর্মে এনে এই পুনর্মিলনীর আয়োজন করেছেন। বিএসএমএমইউ’র মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাত আরও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করবে বলে আমি আশা রাখি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সচিব এবং বিএসএমএমইউ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য জাকিয়া সুলতানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments