ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে কয়েক দিন হলো। এর মধ্যে ঘরোয়া সিরিজের ঘণ্টা বাজল। মঙ্গলবার থেকে সিলেটে প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল। তার আগে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। গতকালও সেই প্রস্তুতিটা মন দিয়ে করেছেন শান্ত-শরিফুলরা। এই সিরিজে তাদের কাঁধেই গুরুদায়িত্ব। সাকিব, তামিম, তাসকিন, এবাদত ও লিটনদের অনুপস্থিতিতে দলটিকে নতুন বাংলাদেশ হিসেবেই দেখছেন প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

বিশ্বকাপ থেকেই চোটে ভুগছেন সাকিব ও তাসকিন। আর বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে ইনজুরির কবলে পড়েছিলেন এবাদত। দুই মাসের বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি ডানহাতি এ পেসার। তাদের ছাড়াই হাথুরুকে সাজাতে হবে নতুন পরিকল্পনা। তবে তিনি মিরাজ-হাসানদের ওপর আস্থা রাখছেন। সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে হাথুরু বলেন, ‘যারা বিশ্বকাপ খেলেছে, তাদের জন্য আমরা এনসিএলকে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। প্রস্তুতির জন্য তারা এনসিএলের শেষ রাউন্ড খেলেছে। বেশির ভাগ ব্যাটারই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে। বাকিদের মধ্যে বেশির ভাগই এনসিএল খেলছিল। দেখুন, বিভিন্ন কারণে এটা দেখতে প্রায় নতুন বাংলাদেশের মতো। ইচ্ছা করে এমন কিছু করা হয়নি। কিছু ইনজুরির কারণে এমনটা হয়েছে। আমরা যতটা পারি ততটা প্রস্তুত। সত্যি বলতে, টেস্ট সিরিজের জন্য আমি মুখিয়ে আছি।
সাকিব-তাসকিনরা না থাকায় একদিকে যেমন আশা দেখছেন, অন্যদিকে চ্যালেঞ্জও মনে করছেন হাথুরু। তাঁর কাছে এ যেন নতুন এক শুরু, ‘আমাদের তাসকিন, এবাদতও নেই। এতজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে না পাওয়া যে কোনো দলের জন্যই চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য। কারণ, তারা সবাই তিন সংস্করণের ক্রিকেটই খেলে। কেউ ১৫ বছর ধরে খেলছে, আবার কেউ খেলছে ১০ বছর ধরে। এ জন্য বলছিলাম, একটা দিক থেকে আমরা সামনে তাকাতে পারি।
তবে এই দলটাতে এখন যারা আছেন, তারা একেবারে আনকোরা নয়। তাদেরও অভিজ্ঞতা রয়েছে। হয়তো দায়িত্বটা এখন বেশি। হাথুরুও তেমনটা ভাবছেন। তবে এই সুযোগটা তরুণদের কাজে লাগানোর কথাও মনে করিয়ে দেন বাংলাদেশের কোচ, ‘তরুণরা সেটা করতে পারে। যারা লম্বা সময় ধরে খেলছে, তাদের ছাড়া সামনে এগিয়ে যাওয়ার এটাই সঠিক সময়। তারা সারাজীবন খেলবে না। এটা অবশ্য অনেক কারণে ঘটেছে। আমার মনে হয় এটা রোমাঞ্চকর। নিজেদের মেলে ধরার জন্য তরুণদের জন্য ভালো সুযোগও।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.



























Recent Comments