সোমবার, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকপরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি
spot_img
spot_img

পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকে পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখছেন না আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। খুব অল্পসংখ্যক বিশ্বস্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গেও তার যোগাযোগ নেই।

মোজতবার শ্বশুর গোলাম আলী হাদ্দাদ আদেল এই দাবি করেছেন। সম্প্রতি ইরানি বার্তাসংস্থা ইসনা নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাদ্দাদ আদেল বলেছেন, “নিরাপত্তাজনিত সুনির্দিষ্ট কারণে (সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর থেকে) মোজতবা খামেনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ রাখছেন না। খুব অল্পসংখ্যক বিশ্বস্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গেও তার কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি কেমন আছেন কিংবা তার অন্য কোনো হালনাগাদ তথ্য আমরা জানি না।”News

তবে জামাতা মোজতবা খামেনির উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেছেন হাদ্দাদ আদেল। ইসনা নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “মোজতবার স্বভাবে তার পিতা আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রভাব গভীর। পিতার প্রায় সমস্ত বৈশিষ্ট্য তার স্বভাবে আছে। আমি নিয়মিত তার সুস্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া করি।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধের প্রথম দিনই মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত বোমায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার স্ত্রী, পুত্রবধূ ও নাতনি।

আর মোজতবা খামেনি নিজে হন গুরুতর আহত। আহত অবস্থাতেই ১১ মার্চ তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকার।

মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা এবং ইরানি রাজনীতিবিদ আবদোলরেজা দাভারির বরাত দিয়ে মোজতবার শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে গত ২৩ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল গণমাধ্যম। সেখানে বলা হয়েছিল, মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় মোজতবার একটি পা উড়ে গেছে, একটি বাহু গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, মুখমণ্ডল ও ঠোঁট গুরুতরভাবে পুড়ে গেছে। ফলে কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে তার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য মোজতবা খামেনির প্লাস্টিক সার্জারি প্রয়োজন।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে তার চিকিৎসার দেখভালের দায়িত্বে আছেন ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যিনি নিজে একজন হার্ট সার্জন।

গত ১৩ জুলাই হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মোজতবা খামেনি মৃতপ্রায় অবস্থায় আছেন এবং তিনি ‘৯০ শতাংশ শেষ’।

তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থা, কথা বলার অসুবিধা এবং চিকিৎসাধীন থাকার কারণে মোজতবা খামেনি ভিডিওবার্তা দেওয়া বন্ধ রেখেছেন। বার্তা তিনি দেন, তবে সেগুলো সব লিখিত বার্তা। বর্তমানে ইরানের প্রায় সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছে দেশটির প্রতিরক্ষাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তবে মোজতবাকে অবহিত না করে সেসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয় না।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments