সোমবার, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeকোম্পানি সংবাদবিডি থাই ফুডের কারখানায় ডাকাতি ও মালামাল লুট
spot_img
spot_img

বিডি থাই ফুডের কারখানায় ডাকাতি ও মালামাল লুট

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিডি থাই ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। কারখানাটি ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের বড়নারায়ণপুর এলাকায় অবস্থিত। যা ১৯ ফেব্রুয়ারি চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) অবহিত করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

চিঠিতে বিডি থাই ফুড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওইদিন দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে অজ্ঞাত ৩০ থেকে ৪০ জন মুখোশধারী ডাকাত কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা প্রথমে সেখানে দায়িত্বরত ৬ থেকে ৭ জন নিরাপত্তাকর্মীর হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং তাদের মারধর করে। এরপর কারখানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

লুট হওয়া মালামালের তালিকায় উল্লেখ রয়েছে- একটি ১৪০০ কেভিএ সাব-স্টেশনসহ এর ভিতরের সমস্ত যন্ত্রাংশ লুট করে সাবস্টেশনটিকে সম্পূর্ণ অকেজো করা, দশটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার মোটর, তিনটি জেনারেটরের পাওয়ার কেবল, ব্যাটারি এবং বিভিন্ন কম্পোনেন্ট, আটটি কপার বার, এসটি ও এলটি ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার কেবল, মোটর, এসিবি ব্রেকার, কপার বার, ১২ ভোল্ট ব্যাটারি, দুইটি কম্পিউটার, পার্টিশনসহ থাই প্লাস ভাঙচুর, আলমারি ও টেবিলের লকার ভাঙচুর, একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর, নৈশ প্রহরীদের চারটি মোবাইল সেট এবং নগদ এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা।

ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়া যন্ত্রপাতি ও নগদ টাকাসহ আনুমানিক দেড় কোটি টাকা হলেও পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত সর্বোপরি এর ব্যবসায়িক ক্ষতি অপূরনীয়। এ ঘটনায় বিডি থাই ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় কর্মরত একাউন্টস ও অ্যাডমিন অফিসার তারিফুল ইসলাম ধামরাই থানায় গত ১১ ফেব্রুয়ারি একটি এজাহার (এফআইআর) দায়ের করেছেন।

চিঠিতে আরও উল্লেখ্য করা হয়, এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে একই কারখানায় পরপর দুইবার ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সে সময় থানায় অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন ডাকাতকে প্রেপ্তার করা হয়নি এবং লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার হয়নি। বিডি থাই ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের এই রকম ধারাবাহিক ডাকাতিতে উক্ত কোম্পানির উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরেছে। ফলে কোম্পানিটির সকল স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পরেছে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments