শনিবার, ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাবিশ্বকাপে আয় বাড়াতে ফিফার অভিনব উদ্যোগ
spot_img
spot_img

বিশ্বকাপে আয় বাড়াতে ফিফার অভিনব উদ্যোগ

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসরে রেকর্ড ৪৮টি দেশ ১০৪টি ম্যাচে অংশ নিচ্ছে। আয়োজক হিসেবে আছে তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। যুক্তরাষ্ট্রে ফাইনালসহ অনুষ্ঠিত হবে ৭৮টি ম্যাচ।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি। ফাইনাল ম্যাচের সাধারণ টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ৩২,৯৭০ ডলার এবং খাবার-পানীয়সহ হসপিটালিটি টিকিটের দাম সাড়ে ৩২ হাজার থেকে সাড়ে ৩৪ হাজার ডলার পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

ফাইনাল ম্যাচের টিকিট বিক্রির পাশাপাশি ইনকাম বাড়াতে আরেকটি অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। ফাইনাল ভেন্যুর মাঠের টুকরো বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের অংশ নিজেদের সংগ্রহে রাখতে পারবেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ফাইনাল ম্যাচে মাঠে যে ঘাস ব্যবহার করা হবে, তার প্রতিটি টুকরো ৪৫০ ডলার মূল্যে বিক্রি করা হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫৫ হাজার টাকার বেশি। এই টাকা খরচ করে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠের কতটা অংশ কিনতে পারবেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

শুধু বলা হয়েছে প্রতিটি টুকরোর মাপ হবে ১৭.৫/১৭.৫/১৭.৭। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ১৭.৫ ইঞ্চি, সেন্টিমিটার না মিলিমিটার তা বলা হয়নি। বহু আগ্রহী ফুটবলপ্রেমী ফিফার কাছে মাঠের টুকরোর মাপের একক জানতে চেয়েছেন। অভিযোগ এ ব্যাপারে ফিফা কর্তাদের কাছ থেকে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।

ফিফার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মাঠের একটি খাঁটি টুকরোর মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসের একটি আসল অংশের মালিক হোন। যা একটি উচ্চমানের অ্যাক্রিলিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত। সঙ্গে একটি স্মারক রয়েছে। প্রতিটি টুকরোয় থাকবে ফাইনালের মাঠের একটি আসল খণ্ড। যা বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রীড়া আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখার একটি অনন্য সংগ্রহযোগ্য বস্তু।’

স্মারকটি কীভাবে তৈরি করা হচ্ছে, তাও জানানো হয়েছে ফিফা ওয়েবসাইটে।

বিশ্বকাপ ফাইনাল হয়ে যাওয়ার পর শুরু হবে মাঠের টুকরো আগ্রহীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ। শুধু আমেরিকা এবং ইউরোপের বাসিন্দারাই মূলত এই স্মারক কিনতে পারবেন। কারণ বিশ্বের আর কোথাও মাঠের টুকরো ফিফা পৌঁছে দেবে না। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments