ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধ এবং ইসরায়েল ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না দেওয়ায় গাজায় খাদ্যাভাবের মাত্রা বেড়েছে। অবরুদ্ধ অঞ্চলটির বেসামরিক লোকজন খাদ্যের অভাবে খোবিজা নামের একটি বুনো শাকের পাতা সিদ্ধ করে খাচ্ছে।

ফিলিস্তিনি নারী মরিয়ম আল-আত্তার বলেন, ‘আমাদের সারা জীবনে-এমনকি (আগের) যুদ্ধেও – আমরা খোবিজা খাইনি। আমার মেয়েরা আমাকে বলে, আমরা রুটি খেতে চাই, মা। তাদের জন্য আমার হৃদয় ভেঙে যায়।
বাস্তুচ্যুত এই নারী বলেন, ‘আমি তাদের জন্য এক টুকরো রুটি খুঁজেও পাই না। আমি গিয়ে কিছু খোবিজা জোগাড় করি। আমরা আপাতত খোবিজা খুঁজে পেয়েছি, কিন্তু ভবিষ্যতে এটিই কোথা থেকে পাব? খোবিজা ফুরিয়ে যাবে। আমরা কোথায় ঘুরব?
বিশ্বের মুসলমানরা যখন পবিত্র রমজান মাসে ইফতার ও সাহরিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নানা মুখরোচক খাবার খাচ্ছে তখন ফিলিস্তিনিরা খাদ্যের জন্য হাহাকার করছে।
উম্মে মোহাম্মদ নামে আরেক ফিলিস্তিনি নারী বলেন, ‘ক্ষুধা আমাদের গ্রাস করে ফেলেছে। আমাদের খাওয়ার কিছু নেই। আমরা সবজি, মাছ ও মাংস চাই। আমরা খালি পেটে রোজা রাখছি। আমরা আর রোজা রাখতে পারছি না। ক্ষুধার জ্বালায় আমার মাথা ঘোরাচ্ছে। শরীরকে ঠেকানোর মতো কিছুই নেই।
বিশ্বের ক্ষুধা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) গত ১৮ মার্চ জানিয়েছিল, গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন। উত্তর গাজায় মে মাসের মধ্যে দুর্ভিক্ষ ঘটতে পারে এবং জুলাইয়ের মধ্যে ছিটমহলজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
























Recent Comments