মঙ্গলবার, ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeঅর্থনীতিরেমিট্যান্স ও সরবরাহে ভর করে কমছে ডলারের দাম
spot_img
spot_img

রেমিট্যান্স ও সরবরাহে ভর করে কমছে ডলারের দাম

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ভালো থাকায় আন্তঃব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের বাজারে মার্কিন ডলারের দর কমতির দিকে রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১৬ আগস্ট) আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি ডলারের দর নেমে এসেছে ১২২ টাকা ৬৩ পয়সায়। একই দিনে স্পট মার্কেটে প্রতি ডলার লেনদেন হয়েছে ১২৩ টাকায়। অথচ ১৫ দিন আগেও স্পট মার্কেটে ডলারের দর ছিল ১২৩ টাকা ৮২ পয়সা।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেন এবং ঋণপত্রের দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রতি ডলারের জন্য এখন ১২৩ টাকা ৫ পয়সা দিতে হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে এই দর ছিল ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা। অর্থাৎ মাসের শুরু থেকে ডলারের দর কমেছে ৯০ পয়সা।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখছে আমদানি ব্যয়ের চাপ কমে যাওয়া এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি, সারসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি ব্যয় বেড়েছিল। এর ফলে দেশে ডলারের চাহিদাও বেড়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বড় অঙ্কের আমদানি দায় পরিশোধের চাপ কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো থাকায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে।

চাহিদা ও সরবরাহের এই ভারসাম্যের কারণে ব্যাংকিং খাতে ডলারের দর ধীরে ধীরে কমছে। তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে দর কমলেও এখনো খোলা বাজারে এর প্রভাব দেখা যায়নি।

রোববার রাজধানীর মতিঝিলের বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি ডলার ১২৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৭০ পয়সায় কেনা হয়েছে। আর বিক্রি করা হয়েছে ১২৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১২৭ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি আগস্টের প্রথম ১২ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১০৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ১২ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৪২ শতাংশ।

রেমিট্যান্সের ইতিবাচক প্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় ডলারের বাজারে এই স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments