শুক্রবার, ৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeজাতীয়লিবিয়ার জেলে বন্দি ৫৭ যুবককে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবী
spot_img
spot_img

লিবিয়ার জেলে বন্দি ৫৭ যুবককে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবী

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: মাদারীপুর সদর, রাজৈর উপজেলা ও গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার ৫৭ যুবক লিবিয়ার জেলে বন্দি জীবন যাপন করছে। লিবিয়ায় বন্দিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবীতে মঙ্গলবার বিকেলে ওইসব পরিবারের সদস্যরা মাদারীপুর সরকারি কলেজ মাঠে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

জানা গেছে, মাদারীপুর সদর, রাজৈর উপজেলা ও গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার ৫৭ যুবক গত ৬-৯মাস ধরে লিবিয়ার জাহারা জেলসহ অন্যান্য জেলেআটক রয়েছে। জেলখানায় ওইসব যুবক দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। তিন বেলা খাবারের জায়গায় কোনদিন এক বেলাও খাবার দেয়া হয়না। মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে অনেকে। বন্দিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন পরিবারের সদস্যরা।

লিবিয়ার জেলে বন্দি সদর উপজেলার নয়াচর এলাকার আব্দুল আজিম মাতুব্বরের বাবা মোসলেউদ্দীন মাতুব্বর বলেন, ‘আমার ছেলের সাথে কথা হইছে কয়েকদিন আগে। ছেলে বলে আব্বা খিদার যন্ত্রণায় দাঁড়াইতে পারিনা, দাঁড়াইলে পইড়া যাই। টাকা দিছি দালালরে তাও ছাড়েনা। চাই না কামাই, তবুও আমার সন্তান আমার বুকে ফিইরা আসুক। ৬ মাস আগে দালালের মাধ্যমে ছেলেরে লিবিয়া পাঠাইছি। পর পর ৩ বার গেম করাইছে, আমার সাড়ে ১৫ লাখ টাকা চইলা গেছে। ২ বার ছাড়াইছি এইবার জাহারা জেলে আছে।

কোনোভাবেই ছাড়াইতে পারতাছিনা। ১ বেলা খাওন দেয় আর হাফ লিটার পানি দেয়, তাও একটা রুটি। টাকা দেই তাও ছাড়তাছেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এই সমস্ত ছেলেরা বাহির থেকে রেমিট্যান্স পাঠাইলে দেশের উন্নতি হইতো। যে ভাবেই গেছে এখন এই সমস্ত ছেলের জীবন বাঁচান।’

লিবিয়ায় বন্দি আরেক যুবকের ভাই সেলিম শেখ বলেন, ‘সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়া ভাইরে পাঠাইছি। ওইখানে যাইয়া জেলে রাখছে। ছাইড়া দিবো কইয়া এখনো ছাড়ে নাই। খাওন লওন দেয় না। আমি আমার ভাইরে ফেরত চাই।’

উল্লেখ্য, লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ট্রলার যোগে ইতালী যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে মাদারীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম খাগদী গ্রামের সাব্বির খান ( ২০ ) ও বড়াইলবাড়ী গ্রামের সাকিব তালুকদার (২১) শনিবার মারা যান। রবিবার তাদের মারা যাওয়ার খবর বাড়িতে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অমি.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments