ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বারবার শুল্ক সুবিধা দিয়েও কমানো যায়নি নিত্যপণ্যের দাম। চড়াই আছে চাল, তেল ও পেঁয়াজের বাজার। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুল্ক সুবিধা দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, দরকার আমদানি নীতির সংস্কার। নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সয়াবিন তেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু এবং চালসহ ৭টি পণ্যে শুল্ক সহায়তা দিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি সয়াবিন ও সয়াবিনজাত পণ্য আমদানিতে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত শুল্ক কমিয়েছে ভারত। এরপরে বাজারে দেখা দেয় সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট।কয়েকদিন পরেই প্রতি লিটারে ৮ টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপরে বাজারে বেড়ে যায় সয়াবিনের সরবরাহ।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, সয়াবিনের প্রতিলিটার ১৫৭ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকায়, দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা ও মশুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। বাজারে সুবিধার ইতিবাচক প্রভাব আগামী মাসে পেতে পারেন বলে জানান সয়াবিন আমদানিকারকরা, ডলারের দাম বাড়ার শঙ্কায় রয়েছেন তারা।
এদিকে চালের বাজার সহনীয় রাখতে সব আমদানি ও নিয়ন্ত্রক শুল্ক প্রত্যাহার করেছে সরকার। কিন্তু এরমধ্যেই চালের দাম আরো বেড়ে গেছে। ভালো মানের মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকা কেজি। শুল্ক সুবিধা দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, এক্ষেত্রে দরকার আমদানি নীতির সংস্কার।
অর্থনীতিবিদরা বলেন, এখন যে ধরনের আইনগত কাঠামো রয়েছে তাতে এককভাবে একজন আমদানিকারক ও এককভাবে তাদের ডিস্ট্রিবিউটর ডিলার কাজ করতে পারছেন। আগামীতে এই জায়গায় সংস্কার না হলে অধিক সংখ্যক আমদানিকারক বাজারে ডুকে ব্যবসা করতে পারবে না। শুল্ক সুবিধার কারণে আমদানিকারকরাও উপকৃত হচ্ছে ও সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে মনে করেন তারা।
উল্লেখ, আজ শনির আখড়ায় বাজারে গেলে দেখা যায় নতুন পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, তবে অন্যান্যগুলো বিক্রে হয়েছে ৯০ ও ১২০ টাকায়। এছাড়া বাজারে কিছুদিন সয়াবিন তেলের সংকট দেয়। সংকটময় সময়ের শুরুর দিকে সয়াবিন তেল ১ লিটার রিফিল প্যাকেট বিক্রি হয় ১৯০ টাকায়, তবে আজ বাজারে রিফিল প্যাকেট পাওয়া না গেলেও ১ লিটার বোতল বিক্রি হয়েছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়। আর ২ লিটার বিক্রি হয়েছে ৩৫০ ও ৩৬০ টাকায়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.




























Recent Comments