গতিশীল এই জীবনে তরুণদের সবকিছু চাই হাতের কাছে। এমনকি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলোও তারা করতে চায় মুহুর্তের ভেতর। তাইতো নতুন বিনিয়োগকারীরা অনায়াসে অ্যাকাউন্ট খুলে, বাজারের ট্রেন্ড দেখে, স্টক সম্পর্কিত সবকিছু বুঝে-শুনে নিজেদের সুবিধামতো বিনিয়োগ করতে চান ব্রোকারেজ হাউজে না যেয়ে কারো সহায়তা ছাড়াই। এসব কিছুই এখন সম্ভব হচ্ছে অনলাইন ট্রেডিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমে, যা আকৃষ্ট করছে নতুন বিনিয়োগকারীদের।
বিশ্বজুড়ে মিলেনিয়ালস এবং জেন-জি প্রজন্মের জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতি আগ্রহ বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম এবং কোয়ান্টিফাইড স্ট্রেটেজিস-এর সমীক্ষা মতে প্রায় ৩৯% থেকে ৪৮% মিলেনিয়ালস এবং জেন-জি প্রজন্মের তরুণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিনিয়োগ কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের তরুণ বিনিয়োগকারীরাও পিছিয়ে নেই। পপুলেশন পিরামিডের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৩% ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী জনগোষ্ঠী রয়েছে। প্রযুক্তিতে পারদর্শী এই প্রজন্ম অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের সাথে তাল মিলিয়ে বিনিয়োগের বাজারকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলছে। স্মার্টফোন এবং সুলভ ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারবাজারে প্রবেশকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। তরুণ বিনিয়োগকারীরা, যারা সর্বদা নতুন নতুন বিষয় শিখে তা কাজে লাগানোর সুযোগ খোঁজেন, তাদের জন্য অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মগুলো এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
ট্রেডিং অ্যাপগুলোর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম কারণ হলো এর ফিচার এবং সহজলভ্যতা। শান্তা ইজিট্রেড- এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো দেশের শেয়ারবাজারে তরুণ এবং নতুন বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহন বাড়াতে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।
শান্তা ইজিট্রেড অ্যাপের গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলো হচ্ছে –
• যেকোনো সময় এবং যেকোনো জায়গা থেকেই খুব সহজেই অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE)-এ একইসাথে সরাসরি শেয়ার কেনা- বেচার সুযোগ
• ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও ম্যানেজ করার সুযোগ
• নির্দিষ্ট কোনো স্টকের নিউজ এবং সর্বশেষ ৫২ সপ্তাহের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মূল্য দেখার সুযোগ
• বিভিন্ন টেকনিক্যাল চার্ট এবং রিয়েল-টাইম ডেটা দেখে, এবং বাজারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ বা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুবিধা
এছাড়াও, ব্যবহার-বান্ধব ইন্টারফেসের শান্তা ইজিট্রেড অ্যাপটি নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি এবং মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টকে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। মোবাইল-অপ্টিমাইজড ডিজাইনের মাধ্যমে, অ্যাপটি নবীন ও অভিজ্ঞ উভয় বিনিয়োগকারীর জন্যই সহজে ব্যবহারযোগ্য। এই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যবহারকারীদের জন্য সহজলভ্যতার কারণে শান্তা ইজিট্রেড অ্যাপটি বাংলাদেশে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।
অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম কেবলমাত্র একটি টুল নয়, এটি বাংলাদেশের তরুণদের জন্য আর্থিক স্বাধীনতার প্রতীক। শান্তা ইজিট্রেডের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো আর্থিক শিক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহ প্রদান করবে বলে আশা করা যায়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.


































Recent Comments