ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের জরুরি সম্মেলনে বসছেন ইউরোপীয় দেশের নেতারা। ওই সম্মেলনে ইউরোপীয় দেশের নেতাদের হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাম্প ও পুতিনের ফোনালাপের পর এই সম্মেলন ঘোষনা করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার প্যারিসের জরুরি সম্মেলনে হাজির থাকার কথা। তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এ কথা স্পষ্ট যে ইউরোপকে নিরাপদ করতে ন্যাটোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
জরুরি সম্মেলনের ঘোষণা এমন এক সময় হলো, যে সময় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জার্মানির মিউনিখ অবস্থান করছেন। নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, ইউরোপের গণতান্ত্রিক দেশগুলো তাদের মূল্যবোধ থেকে সরে আসছে। জেডি ভ্যান্স সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ হোয়াইট হাউজের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সৌদি আরবে রাশিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদিও ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তারা কোনো আমন্ত্রণ পত্র পাননি।
আগের সমঝোতার কোনো চেষ্টা কার্যকর হয়নি। কারণ, সেখানে অনেক পক্ষ যুক্ত ছিল’, বলেন কেইথ কেলগ।
২০১৫ সালের জার্মানির মিনস্ক চুক্তি অন্ধকারে রয়েছে। সেখানে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়। পরে সেটি ব্যর্থ হয়। ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যস্ততায় ওই সময়ের পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির আলোচনা হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের জন্য বিভিন্ন সময় জোর পদক্ষেপ নেন। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়াও গত মাসে হোয়াইট হাউজ পরিদর্শনের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনা করেন।
পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেডোস্লো সিকোরস্কি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এমানুয়েল ম্যাঁখো প্যারিসে ইউরোপীয় নেতাদের নিয়ে সম্মেলনের ডাক দেন। এমন সম্মেলন ম্যাঁখো এর আগে কখনো ডাকেননি।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
































Recent Comments