বুধবার, ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeপ্রধান সংবাদ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার শূন্য করার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক
spot_img

৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার শূন্য করার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ব্যাংক খাতে সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এবার ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) দিকে কঠোর নজর দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রাহকদের আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার শূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এসব প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর (নন-ভায়েবল) ঘোষণা করা হবে। এরপর ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা ও নেট অ্যাসেট ভ্যালু নির্ধারণ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদের প্রকৃত অবস্থান কতটা নেতিবাচক—তা অডিট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। অডিট প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অনিয়ম ও দায়ভার সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষা এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তদারকির জন্য ‘ব্যাংকিং রেজুলেশন ডিভিশন’ গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যত দুর্বল হয়ে পড়লে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে এ বিভাগের কাজ। পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে; প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও প্রতিষ্ঠান এর আওতায় আসতে পারে।
যে নয়টি এনবিএফআইয়ের নিবন্ধন সনদ বা লাইসেন্স বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, এফএএস ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও প্রিমিয়ার লিজিং। এই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করতে সরকারকে ৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই অর্থ দিয়ে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা পরিশোধ করা হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা ক্ষুদ্র আমানতকারীদের এবং বাকি ১১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা ব্যাংক ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের। ব্যক্তি আমানতকারীদের সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা আটকে আছে পিপলস লিজিংয়ে। এছাড়া আভিভা ফাইন্যান্সে ৮০৯ কোটি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৬৪৫ কোটি এবং প্রাইম ফাইন্যান্সে ৩২৮ কোটি টাকা আটকে রয়েছে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/টিএ
RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments