মঙ্গলবার, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাচোখ দিয়ে পানি পড়া ও চুলকানির কারণ এবং প্রতিকার জানালেন চিকিৎসক
spot_img
spot_img

চোখ দিয়ে পানি পড়া ও চুলকানির কারণ এবং প্রতিকার জানালেন চিকিৎসক

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আধুনিক জীবনযাত্রা, দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহার এবং পরিবেশ দূষণের কারণে চোখের নানা সমস্যা এখন সাধারণ হয়ে উঠছে। এর মধ্যে চোখ দিয়ে পানি পৃড়া, চুলকানি বা অস্বস্তি অন্যতম।

এ বিষয়ে ভারতের গুরুগ্রামের মারেনগো এশিয়া হাসপাতালের অপথালমোলজি বিভাগের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ডা. শিবাল ভরতিয়া জানান, চোখে একসঙ্গে পানি পড়া ও শুষ্কতা-দুটিই একই সমস্যার অংশ হতে পারে, যা অনেকেই ভুলভাবে বোঝেন।

চিকিৎসকের মতে, চোখের উপর একটি পাতলা টিয়ার ফিল্ম থাকে, যা তিনটি স্তর-তেল, পানি ও মিউকাস বা শ্লেষ্মা-দিয়ে গঠিত। এই স্তর চোখকে সুরক্ষিত ও আর্দ্র রাখে।

যখন এই টিয়ার ফিল্মের ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন চোখ মস্তিষ্ককে সংকেত দেয় এবং অতিরিক্ত পানি নিঃসরণ করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘রিফ্লেক্স টিয়ারিং’। এতে চোখ বাইরে থেকে ভেজা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে ভেতরে শুষ্কতা থেকেই যায়।

ডা. শিবাল ভরতিয়া বলেন, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় তিনগুণ কম পলক ফেলা হয়। এতে চোখের তেল নিঃসরণ কমে যায় এবং টিয়ার ফিল্ম দ্রুত শুকিয়ে যায়।

এ ছাড়া বায়ুদূষণ, এসি পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকা এবং দীর্ঘ যাতায়াতের কারণেও ‘ড্রাই আই ডিজিজ’ বা চোখ শুষ্ক হওয়ার সমস্যা বাড়ছে।

যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে তা হলো- চোখ দিয়ে পানি পড়া, বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে বেড়ে যাওয়া,চোখে জ্বালাপোড়া বা সুই ফোটার মতো অনুভূতি,দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, পলক ফেললে সাময়িকভাবে ঠিক হওয়া,বাতাস বা এসির প্রতি সংবেদনশীলতা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের পরও চোখ ক্লান্ত লাগা।

চিকিৎসকের মতে, এসব উপসর্গ যদি দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে নিজের ইচ্ছায় আর্টিফিশিয়াল টিয়ার্স ব্যবহার না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডা. শিবাল ভরতিয়া বলেন, এই সমস্যার প্রাথমিক প্রতিকার হিসেবে- চোখের পাতায় গরম সেঁক দেওয়া, ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ,প্রিজারভেটিভ-মুক্ত লুব্রিকেটিং ড্রপ ব্যবহার এবং নিয়মিত বিরতি নিয়ে স্ক্রিন টাইম কমানো ও সচেতনভাবে পলক ফেলা।

তবে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার বা প্রয়োজন হলে তেলের গ্রন্থির (meibomian gland) বিশেষ চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments