বৃহস্পতিবার, ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাআর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফার ব্যাখ্যা
spot_img
spot_img

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফার ব্যাখ্যা

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের রেফারিং নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিশেষ করে রেফারি ও ভিএআরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে জল অনেক দূর গড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন ফিফার রেফারিজ কমিটির প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা। সাবেক এই কিংবদন্তি ইতালিয়ান রেফারি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ফিফার রেফারিরা সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং মাঠের কোনো সিদ্ধান্তে খোদ ফিফা সভাপতি জান্নি ইনফান্তিনোও প্রভাব খাটাতে পারেন না।

ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কলিনা বিশ্বকাপের রেফারিংয়ের সার্বিক মূল্যায়ন করার পাশাপাশি আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর ওপর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের চেয়ে এবার ম্যাচের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। ৯৬টি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর কলিনা টুর্নামেন্টের রেফারিং নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও কিছু ভুলের কথা স্বীকার করেন।

রেফারিদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা ফুটবলেরই অংশ, কিন্তু ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনো স্থান আমাদের খেলায় নেই। কেউ ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিশিয়ালদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন না। যখন এই ধরনের অভিযোগ করা হয়, তখন রেফারি ও তাদের পরিবার হুমকিতে পড়ে, যা মোটেও কাম্য নয়। একইভাবে কেউ দাবি করতে পারেন না যে ফিফার রেফারিং কারও দ্বারা প্রভাবিত। এমনকি ফিফা সভাপতিও এখানে কোনো হস্তক্ষেপ করেন না।’

আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার ম্যাচে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল, কলিনা নিজে তার নিখুঁত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। মিসরের গোল বাতিল নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভিএআর প্রতিটি গোলের আগের আক্রমণভাগ পরীক্ষা করে। ফাউলটি গোল থেকে কত দূরে বা কত সময় আগে হয়েছে, তার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ফাউল মানে ফাউল। মিসর বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচে মিসরের ১৯ নম্বর জার্সিধারী মারওয়ান আত্তিয়া স্পষ্টভাবেই আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেসের পায়ে পাড়া দিয়েছিলেন। রেফারি মাঠে এটি দেখতে না পাওয়ায় ভিএআর সঠিকভাবেই হস্তক্ষেপ করেছে।’

মোহাম্মদ সালাহকে হুলিয়ান আলভারেজের ফাউলের বিষয়ে কলিনা বলেন, ‘আক্রমণের শুরুতে যদি কোনো ফাউল না থাকে, তবে ভিএআর রেফারিকে খেলা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। সালাহ ও আলভারেজের ঘটনাটি ছিল ফুটবলের একদম স্বাভাবিক শারীরিক সংস্পর্শ। ডিফেন্ডার প্রথমে বল স্পর্শ করার পর এমন সংস্পর্শ ফাউল হিসেবে গণ্য হয় না।’
কলিনা স্বীকার করেছেন যে কিছু সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য থাকতে পারে, তবে পুরো টুর্নামেন্টে যেভাবে নিয়মগুলো প্রয়োগ করা হয়েছে, তাতে ফিফার রেফারিং প্যানেল পুরোপুরি সন্তুষ্ট।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments