শনিবার, ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলামিচেল ও প্যাটের তোপে ম্যাকাই টেস্টে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ
spot_img
spot_img

মিচেল ও প্যাটের তোপে ম্যাকাই টেস্টে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে প্রথম সেশনেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে সেই ধস আরও গভীর করেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। স্বাগতিক পেসারদের গতি, বাউন্স ও সুইং সামলাতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২২ আগস্ট) ম্যাকাইয়ের গ্রেট বেরিয়ার রিফ অ্যারেনায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মাত্র ৩৪ ওভার টিকতে পারে সফরকারীরা। দিনের দ্বিতীয় সেশনেই অলআউট হয় বাংলাদেশ।

ইনিংসের শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের সামনে অসহায় দেখিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটারদের। প্রথম পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে চারজনই কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন। যারা রানের খাতা খুলতে পেরেছেন, তারাও ইনিংস বড় করতে পারেননি।

প্রথম বলেই বাংলাদেশের বিপর্যয়ের শুরু। মিচেল স্টার্কের বলে ওপেনার সাদমান ইসলাম ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমও দুই বলের বেশি টিকতে পারেননি। তিনিও শূন্য রানে স্টার্কের বলে বেউ ওয়েবস্টারের হাতে ধরা পড়েন।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও ব্যর্থ হন। মাত্র এক বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। লিটন দাসও ৫ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। শান্ত ও লিটন দুজনই স্টার্কের বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন।

প্রথম পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে একমাত্র মুমিনুল হক রানের দেখা পান। তবে তিনিও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ১৬ বল খেলে ৫ রান করে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ধরা পড়েন মুমিনুল।

আগের ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকা স্টার্ক এদিন প্রথম সাত ওভারের মধ্যেই পাঁচ উইকেট তুলে নেন। শুরুতেই তার এমন আঘাতে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে যায়।

এরপর ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ৫৩ বলে ৯ রান যোগ করেন। তবে প্যাট কামিন্সের বলে বোল্ড হয়ে মুশফিক ফিরে গেলে সেই জুটিও ভাঙে। ৪২ বল খেলে ৫ রান করেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

মধ্যাহ্ন বিরতির আগে বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি দেন মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। সপ্তম উইকেটে ৫৫ বলে ১৫ রানের জুটি গড়ে তারা প্রথম সেশন পার করেন।

তবে দ্বিতীয় সেশনে ফিরেই আবার ধস নামে। দ্বিতীয় সেশনের দ্বিতীয় ওভারেই কামিন্সের বলে বেউ ওয়েবস্টারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মিরাজ। ৫১ বল খেলে ১১ রান করেন তিনি।

পরের ওভারেই জশ হ্যাজলউডের শিকার হন হাসান মাহমুদ। ৩৬ বলে ১০ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন তাসকিন আহমেদও। কামিন্সের বলে ৭ বলে ১ রান করে আউট হন তিনি।

৯ উইকেট হারানোর সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৩৯ রান। তখন নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। তবে শেষ উইকেটে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামের জুটিতে সেই লজ্জা এড়ায় বাংলাদেশ এবং দলীয় সংগ্রহ পঞ্চাশ ছাড়ায়।

শেষদিকে কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন শরিফুল ইসলাম। বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ তিনটি চার মারেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্টার্কের বলে উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শরিফুল। ১৯ বলে ১৪ রান করে আউট হন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ৩৪ ওভারে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments