ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: বিভিন্ন সেক্টর থেকে আসা বহুমূখী অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সফল স্বতন্ত্র পরিচালকদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ৷ তাদের সাথে আছে পুঁজিবাজারের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শেয়ারহোল্ডার পরিচালকবৃন্দ৷ মূলত স্টক এক্সচেঞ্জকে কেন্দ্র করেই পুঁজিবাজারের সমস্থ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়৷ স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের কাছে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনেক বেশী৷ স্বতন্ত্র পরিচালকদের কর্মকাণ্ডের উপরই নির্ভর করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সেই সাথে নির্ভর করে বাজারের গতিশীলতা৷ আমাদের সকলের উদ্দেশ্য পুঁজিবাজারকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া৷ এর জন্য বিএসইসি’র পক্ষে যে সহযোগীতা করার দরকার তা করা হবে৷

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে ডিএসই’র নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব গ্রহনের পর আজ ২ মার্চ ২০২০ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর চেয়ারমান মোঃ ইউনুসু রহমান-এর নেতৃত্বে পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে বিএসইসি’র চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন৷
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসি’র কমিশনার অধ্যাপক মোঃ হেলাল উদ্দিন নিজামী, ড. স্বপন কুমার বালা, এফসিএমএ, খোন্দকার কামালুজ্জামানসহ নির্বাহী পরিচালকবৃন্দ৷
তিনি আরো বলেন, বিএসইসি বিগত কয়েক বছরে পুঁজিবাজার উন্নয়নে আইনগত ও অবকাঠামোগত বহুবিদ সংস্কার করেছে৷ এতে পুঁজিবাজারের ভিত অনেক মজবুত হয়েছে। যা ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে৷
ডিএসই’র চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে যে উদ্দেশ্য নিয়ে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সেই উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নের জন্য পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ডিএসইকে এগিয়ে নিয়ে যাবো৷ এ বিষয়ে তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন৷
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বর্ষ পূর্ণ হবে৷ এই ৫০ বছরের মধ্যে গত ১৫ বছরে অর্থনৈতিক অগ্রগতি দৃশ্যমান৷ বাংলাদেশেকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাগে ভাগ করলে, সামাজিক খাতে রয়েছে স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, মা ও শিশুর যত্ন প্রভৃতি৷ আর অর্থনৈতিক খাতে চারটি ক্ষেত্র ব্যাংক, পুঁজিবাজার, ইন্সুরেন্স এবং মাইক্রো ক্রেডিট৷ সামাজিক ও আর্থিক খাতের সুচকে বাংলাদেশ অনেকাংশে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে আছে৷
পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের জিডিপির অনুপাতে বাজার মূলধনের পরিমান বৃদ্ধির সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জিডিপির অনুপাতে বাজার মূলধনের অনুপাত ১০০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে৷ এর জন্য প্রয়োজন ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন সিকিউরিটিজ৷
পুঁজিবাজারের প্রতি রয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি। সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের এই সম্ভাবনাময় খাতকে পুঁজি উত্তোলনের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে পরিনত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৩০ এবং ২০৪১ সালকে সামনে রেখে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যান্য সেক্টর যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের পুঁজিবাজারকেও সেভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
ডিএসই’র প্রতিনিধিদলে ছিলেন অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদুর রহমান, সালমা নাসরিন, এনডিসি, মোঃ মুনতাকিম আশরাফ, অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাসুদ, মোঃ রকিবুর রহমান, মোঃ শাকিল রিজভী, মোহাম্মদ শাহজাহান, মিনহাজ মান্নান ইমন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সানাউল হক এবং মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, এফসিএস৷





























Recent Comments