বুধবার, ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তারমজানে স্বাস্থ্য সচেতনতা
spot_img
spot_img

রমজানে স্বাস্থ্য সচেতনতা

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: রমজান শুরু হচ্ছে তীব্র গরমের মৌসুমে। গরমে পানিশূন্যতা বেশি হয়। তবে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে রমজানের রোজা রাখা যেমন উত্তম, তেমন শারীরিক সুস্থতার জন্য কার্যকরী একটি ব্যবস্থাপনা। তাই এই গরমে রমজানের নিজস্ব সময়সূচির সঙ্গে শরীরকে সুস্থ রাখতে নিজেকে সঠিক পরিকল্পনা করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কিছু বিষয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সাহরি এবং ইফতারে পরিমিত খাবার খান। অতি ভোজন এড়িয়ে চলেন, তারা রোজা রাখার ফলে শুধু শারীরিকভাবেই উপকৃত হন না, বরং মানসিকভাবেও প্রশান্তি ও প্রফুল্লতা অনুভব করে থাকেন।

* ইফতার ও সেহরিতে বেশি করে তরল খাবার খেতে হবে। একসঙ্গে বেশি পানি পান না করে ইফতার থেকে সেহরির মাঝখানে একটু একটু করে বারবার পানি পান করতে হবে। এ ছাড়া শরীরে বেশি পানি ধরে রাখে এমন খাবার খেতে হবে। যেমন- লেবু, কমলা, শসা, কলা, তরমুজ, ডাবের পানি ইত্যাদি।

* ইফতার ও সেহরিতে ভাজাপোড়া, বেশি মসলাযুক্ত খাবার খেলে পানি পিপাসা বাড়ে, ক্লান্তি ভাব তৈরি হয়। এ সময় আদর্শ, সুষম খাবার খান। প্রচুর পরিমাণে দেশি ফল, ফলের শরবত ও শাকসবজি খান।

* বেশি ঠান্ডা পানি দিয়ে ইফতার করবেন না। বেশি ঠান্ডা পানি রক্তনালি সংকোচন বাড়িয়ে হজমে সমস্যা করে, পানি পিপাসা বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রচণ্ড গরমে বরফঠান্ডা পানি বা শরবত পান না করে কম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি বা শরবত পান করুন।

* ক্ষতিকর চর্বিজাতীয় খাবার সেহরিতে খাবেন না। কারণ, চর্বিজাতীয় খাবার শরীরে বেশি গরম তৈরি করে। এতে শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়ে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। তাই উপকারী চর্বি, যেমন—সামুদ্রিক মাছ, অলিভ অয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল খেতে পারেন।

* সেহরিতে আমিষ/প্রোটিন খাবার খান। যেমন- ডিম, দুধ, মাছ, মুরগির মাংস, ডাল ইত্যাদি। এতে ক্ষুধা কম লাগবে এবং অনেকক্ষণ শক্তি থাকবে।

* চা, কফি, কোমল পানীয় খাওয়া যাবে না। এগুলো পানিশূন্যতা বাড়িয়ে তোলে।

* এ সময় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার, শুকনো ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এগুলো শরীরকে পানিশূন্য ও ক্লান্ত ভাব তৈরি করে।

* কোনো সেহরি বাদ দেওয়া যাবে না। মাঝরাতে সেহরি না খেয়ে শেষ মুহূর্তে সেহরি খেতে হবে। এতে সারা দিন শরীরে শক্তি থাকবে।

* গরমে আরামের জন্য দিনে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। তবে বেশি গোসল করে আবার সর্দি লাগিয়ে ফেলবেন না। সুতির সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পরুন। এতে শরীর ঠান্ডা থাকবে।

* গরমে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাবেন না। বাইরে বের হলে ছাতা বা ক্যাপ ব্যবহার করুন।

* ইফতার ও সেহরিতে গরম গরম খাবার খান। খাদ্য রান্না ও সংরক্ষণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

* রোজার দিনগুলোতে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিন। এতে ক্লান্তি কম লাগবে।

উল্লেখ্য, ডায়াবেটিস ও বিশেষ কোন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোজা রাখুন।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments