ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্টঃ আসন্ন ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে ১১ দফা প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে- তালিকাভুক্ত কোম্পানির আয় কর কমানো, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে ৩ বছরের জন্য করছাড় সুবিধা দেওয়া, লভ্যাংশে করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ করা। এছাড়া যেসব লভ্যাংশের ক্ষেত্রে ২বার অগ্রিম কর (এআইটি) নেওয়া হয়, সেখান থেকে অব্যাহতি দেয়া। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠিয়েছে ডিএসই।
আসন্ন বাজেট প্রস্তাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত কোম্পানি হতে প্রাপ্ত লভ্যাংশ আয়ে করমুক্ত সীমা ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকায় উন্নীত করা এবং লভ্যাংশে উৎসে আয় কর্তন না করার প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই।
এছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য ১০ বছরের (২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর) আয়কর অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে। তাছাড়া লভ্যাংশের পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানির আয় কর হার কমানোর প্রস্তাব করেছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির আয় কর হার ২৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (মার্চেন্ট ব্যাংক ছাড়া) কর হার ৩৭.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩২.৫০ শতাংশ করা, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রথম ৩ বছর কর হার সুবিধা ১০ শতাংশ থেকে বাড়ানো ও নতুন বন্ডের তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রথম ৩ বছর ১০ শতাংশ হারে কর সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদের পাশাপাশি স্টক এক্সচেঞ্জের কর মওকুফ সুবিধা ১০ বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এদিকে স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারদের শেয়ার লেনদেনে প্রাপ্ত কমিশন আয়ের উপর বিদ্যমান অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ০.০৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.০১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে ডিএসই। এছাড়া এসএমই প্লাটফরমের ক্ষেত্রে এআইটি না নেওয়া, ভ্যাট হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ শতাংশ করা এবং ২ বছর তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কর সুবিধা দেওয়ারও প্রস্তাব করেছে ডিএসই।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম এইচ





























Recent Comments