ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: এতদিন ফুটবলে একদিনে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া জার্সির রেকর্ড ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে। এবার তাঁকে টপকে নাম্বার ওয়ান পজিশনে বসলেন লিওনেল মেসি। ২০২১ সালে জুভেন্টাস ছেড়ে দ্বিতীয় দফায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেন সিআর সেভেন। সেবার তাঁর রেকর্ড সংখ্যক জার্সি বিক্রি হয়েছিল। কিন্তু মায়ামিতে গিয়ে রোনালদোর রেকর্ড ভেঙে দিলেন মেসি।

শুধু তাই নয়, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি জার্সি বিক্রির রেকর্ড ছিল টম ব্র্যাডির। ২০২০ সালে ট্যাম্পা বে বুকানিয়ার্সে যোগ দেওয়ার পর জার্সি মার্কেটে জোয়ার ওঠে। তবে বাস্কেটবল খেলোয়াড় লেব্রন জেমস ২০১৮ সালে লেকার্সে নাম লিখিয়ে সেই রেকর্ডে ভাগ বসান। এবার তাদেরও পেছনে ফেলেছেন মেসি।
কেবল জার্সির রেকর্ড নয়; টিকিট বিক্রি, মাঠে গোল করাতেও সবার নজর এরই মধ্যে কেড়েছেন মেসি। তিন ম্যাচে পাঁচ গোল করে গড়েছেন নতুন রেকর্ড। সঙ্গে আছে এক গোলে অ্যাসিস্ট। এদিকে ৬ আগস্ট প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবেন মেসি, যেদিন টয়োটা স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচে এফসি ডালাসের মুখোমুখি হবে মায়ামি। অথচ ২০ হাজার ৫০০ দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ভেন্যুর টিকিট মাত্র ১৮ মিনিটেই শেষ হয়ে যায়। আর মেসির ১০ নম্বর জার্সি তো বলা যায় সোনার হরিণ।
জনপ্রিয় স্পোর্টস ব্র্যান্ড অ্যাডিডাস এরই মধ্যে জানিয়েছে, দুই মাসের আগে নতুন করে জার্সি নিয়ে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আর মায়ামির সহ-মালিক জর্জ মাস বলেছেন, গত ১৮ জুলাই মেসির জার্সি স্টক আউট হয়ে যায়। তবে মায়ামি সেন্টারে পপআপ স্টোর খোলা হয়েছে।
মেসি যেখানে যাবেন দর্শকও হুমড়ি খেয়ে পড়বেন এটা স্বাভাবিক। তবে আগের সব বারের চেয়ে এবার যেন স্রোত নেমেছে। আমেরিকার মানুষ এতটা ফুটবল পছন্দ করতেন না। কিন্তু মেসি সেখানে যাওয়ার পর দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করেছে। জার্সিতে টান, টিকিট অল্প সময়ে শেষ, গ্যালারিতে কত রকমের আয়োজন। এসব যে বিশ্বকাপজয়ী তারকা মেসিকে ভালোবেসেই করছেন দর্শকরা।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
































Recent Comments