ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: মার্টিনেজের ঢাকা সফর নিয়ে যে উন্মাদনা হওয়ার কথা ছিল, এখন হয়েছে তার উল্টোটা। বিশেষ করে ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ না জানানোয় সমালোচনা চলছে। তবে বিমানবন্দরে জামালকে মূল্যায়ন না করায় ক্ষুব্ধ তাঁর সতীর্থ এবং ভক্তরা। সোমবার বিমানবন্দরের ঘটনায় জামাল ভূঁইয়া বিব্রত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র। এ ব্যাপারে জানতে কয়েকবারই জামালকে ফোন এবং মেসেজ দিলেও তিনি রিভিস করেননি। তবে বিব্রত জামাল মুগ্ধ গোটা দেশের সমর্থনে।

ফেসবুকে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিখেছেন, ‘আপনাদের অশেষ স্নেহ ও সমর্থন পেয়ে আমি মুগ্ধ। গোটা দেশ জুড়ে যে ভালোবাসা পেয়েছি এবং এখনও পাচ্ছি; তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার শুধু ইচ্ছে করছে সবাইকে বুকে জড়িয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে। ধন্যবাদ সবাইকে।
সেদিন দুপুরে যখন কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়তে বিমানবন্দরে যান বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ, সেই সময় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে বেঙ্গালুরু থেকে ঢাকায় পা রাখেন জামাল ভূঁইয়ারা। কোনো আয়োজন বা অনুমতি না থাকলেও সেই মার্টিনেজকে শুধু ‘হ্যালো’ বলার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। নিজ বাসায় না গিয়ে টিম অ্যাটেনডেন্ট মো. মহসিনকে নিয়ে বিমানবন্দরের বহির্গমনের দিকে চলে যান তিনি।
সে সময় কলকাতার ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে বারবার অনুরোধ করে মহসিন বলেছেন, যেন মার্টিনেজের সঙ্গে জামালের দেখা করিয়ে দেন। শতদ্রু দত্ত আশ্বাস দিলেও পরে আর গুরুত্ব দেননি। চোখের সামনে দিয়ে মার্টিনেজকে গাড়ি থেকে নেমে বিমানবন্দরের ভেতরে ঢুকতে দেখলেও ‘হ্যালো’ টুকু বলতে পারেননি জামাল। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সমালোচনার ঝড় বইছে।
সেদিন জামালের সঙ্গে থাকা টিম অ্যাটেনডেন্ট মহসিন গতকাল সমকালকে নিজের দুঃখের কথা বলেন, ‘ঘটনাটি কিছুই হয়নি। আমরা শুধু মার্টিনেজকে দেখতে গিয়েছিলাম। কলকাতার এজেন্ট শতদ্রু দত্তকে আমি স্যার সম্বোধন করে তাঁকে কয়েকবার বলেছিলাম, দাদা আমাদের জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া একটু মার্টিনেজকে হ্যালো বলতে চান। প্রথমে তিনি আমাকে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। তিনি আমাকে বললেন– ওয়েট করো, দেখছি। পরে দেখলাম, তিনি আর কোনো খেয়াল করছেন না।
এই অবস্থায় জামালকে আটকানোর চেষ্টা করেছেন বলে জানান মহসিন, ‘জামাল একা একা বহির্গমনের দিকে যাচ্ছিলেন। এখন সে তো আমাদের অধিনায়ক, তাঁকে তো আমি একা ছাড়তে পারি না। আমি বললাম, জামাল ভাই ওখানে যাওয়ার দরকার নেই। দেখতে খারাপ দেখা যায়।
তিনি আমাকে বলল– জাস্ট হ্যালো বলে চলে আসব। মার্টিনেজ যখন গাড়ি থেকে নেমেছিলেন; তখন আমার আর জামালের দিকে তাকিয়েছেন। আমি তখন তাঁর এজেন্টকে বলেছিলাম, ভাই জামাল তো দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁকে তিন থেকে চারবার আমি রিকোয়েস্ট করেছি। কিন্তু কোনো কেয়ার করেননি তিনি। সে সময় জামালের মন অনেক খারাপ হয়ে যায়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
































Recent Comments