ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জানার পরেও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে ধূমপায়ীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপানের কারণে শরীরে একাধিক রোগ হতে পারে এবং দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। এই দৃষ্টিশক্তি আর ফেরানো সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন তারা। তামাক ব্যবহারজনিত রোগে প্রতিবছর মানুষ মারা যাচ্ছে।

ধূমপানের কারণে শরীরে ক্যানসারের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের বৃদ্ধির মতো বিপদ ডেকে আনে ধূমপান। তামাক সেবন করলে রক্তবাহী ধমনির দেওয়ালে তা জমতে থাকে, এর ফলে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেই, অতিরিক্ত ধূমপানের আসক্তি বিরূপ প্রভাব ফেলে চোখের উপরও। তামাকের ধোঁয়ায় ৭ হাজারেরও বেশি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
চোখ শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ চোখের জলীয় পদার্থ শুষে নেয়। ফলে চোখ ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে পড়ে। সাধারণত লাল ভাব, জ্বালা করা, চোখে অস্বস্তি চোখ শুকিয়ে যাওয়ার কারণ। দীর্ঘদিন ধরে এমন চলতে থাকলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
চোখের অভ্যন্তরে বাড়তি চাপের কারণে চোখে অতিরিক্ত তরল জমা হতে থাকে। ধূমপান করলে চোখে একটা চাপ পড়ে। আর দীর্ঘদিন ধরে এই চাপের ফলে চোখে জমা হয়ে জলীয়ের পরিমাণ আরও বেশি বৃদ্ধি পায়। মনে রাখবেন, গ্লুকোমা চোখের প্রধান স্নায়ু রজ্জুর একটি রোগ।
মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের কারণে যেকোনো বয়সে চোখে ছানি পড়তে পারে। সাধারণত বয়স হয়ে গেলেই চোখে ছানি পড়তে দেখা যায়। তবে ধূমপানের অভ্যাসের কারণে অল্প বয়সেও ছানি পড়ার সম্ভাবনা থাকে চোখে।
সিগারেটের ব্যবহার বিশ্বে সর্বোচ্চ এবং ধূমপান তামাক ব্যবহারজনিত রোগ ও মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত। তামাক ব্যবহারজনিত রোগে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.





















Recent Comments