মঙ্গলবার, ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলানতুন বল দিয়ে খেলা হবে বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচ
spot_img
spot_img

নতুন বল দিয়ে খেলা হবে বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচ

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বিশ্বকাপের সমাপ্তি ঘনিয়ে আসতেই টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের জন্য বিশেষ সংস্করণের অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল (TRIONDA FINAL)’ নামের এই বলটি ব্যবহার করা হবে দুটি সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালে।

গত বছরের অক্টোবরে প্রকাশিত ‘ট্রিওন্ডা’ বলের আধুনিক সংস্করণ এটি। আগের বলের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পারফরম্যান্স অপরিবর্তিত রাখা হলেও নকশায় আনা হয়েছে নতুন মাত্রা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম কেবল রঙ পরিবর্তন নয়, বরং টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের গুরুত্ব তুলে ধরতে সম্পূর্ণ আলাদা ডিজাইনের বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস।

ট্রিওন্ডা ফাইনালের ডিজাইনে বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীকী আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি অলংকরণে বিশ্বকাপ ট্রফির অনুপ্রেরণা তুলে ধরা হয়েছে, যা বলটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র ও আকর্ষণীয় রূপ।

বিশেষ এই বলে স্থান পেয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহরের পরিচয়। এর মধ্যে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের আয়োজক ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউ জার্সিকে নকশায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক উপাদানের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

নতুন বল উন্মোচনের সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, বিশ্বকাপের শেষ চারটি ম্যাচে ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ ব্যবহৃত হবে। তার ভাষ্য, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ‘ট্রিওন্ডা’ অসংখ্য স্মরণীয় গোলের সাক্ষী হয়েছে। একই সঙ্গে এটি তিন স্বাগতিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য এবং ফুটবলের প্রতি তাদের ভালোবাসার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ের প্রতিটি পাস, শট, সেভ ও গোলের সঙ্গে এই বল এবং ১৬টি স্বাগতিক শহরের অবদানও ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।

নকশার পাশাপাশি প্রযুক্তিতেও রয়েছে নতুনত্ব। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এ যুক্ত করা হয়েছে কানেক্টেড বল প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বলের গতিবিধি ও তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এতে ম্যাচ পরিচালনার সময় রেফারিরা আরও দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, পাশাপাশি ম্যাচ বিশ্লেষণেও যুক্ত হবে নতুন প্রযুক্তিগত সুবিধা।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments