
ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ২০১৭ সালে প্রতারণা করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে অর্থ উত্তোলন করে নূরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার লিমিটেড। আর তাতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে সহযোগিতা করে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড, ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, সিএমপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড। এছাড়া নিরীক্ষক হিসেবে সহযোগিতা করে আহমেদ জাকির অ্যান্ড কো:।
আর্থিক হিসাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আইপিও ফান্ড আত্মসাৎ করার অভিযোগে উল্লেখিত কোম্পানি, ৩ ইস্যু ম্যানেজার ও অডিটরের বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশান ও ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিএসইসির ৮৪০তম নিয়মিত কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডিএসইর রিপোর্টের আলোকে নূরানি ডাইং, উদ্যোক্তা/পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ইস্যু ম্যানেজার, নিরীক্ষক এবং আইপিও ফান্ড ব্যবহার নিয়ে প্রতিবেদনে সত্যায়িত করা নিরীক্ষকের বিরুদ্ধে শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্নভাবে প্রতারিত করা ও প্রতারণার কাজে সহযোগিতা করায়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ধারা ১৭ এর (এ), (বি), (সি) ও (ডি) লঙ্ঘিত হয়েছে। এ জন্য কমিশন এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশান ও ফৌজদারি মামলা গ্রহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এছাড়া আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত ৪৩ কোটি টাকার মধ্যে ৪১.১৪ কোটি টাকা আত্মসাত, ৩টি ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান ডিউ ডিলিজেন্স সার্টিফিকেটের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা গোপন করেছে, আইপিওকালীন ২০১৭ সালে নিরীক্ষক ক্লিন রিপোর্ট দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে এবং ২০১৯ ও ২০২০ সালে জালিয়াতি সত্ত্বেও নিরীক্ষক ক্লিন রিপোর্ট দিয়ে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারনা করেছে।
এছাড়া কোম্পানিটির উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা তাদের ধারনকৃত ৩০.৯৩% শেয়ার যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের কাছে জামানত রেখে মার্জিন ঋণ গ্রহন করে তসরুফ করে। যা জামানতের বিপরীতে গৃহিত মার্জিন ঋণ খেলাপি হয়।


























Recent Comments