ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: টানা তিন ম্যাচ হেরে বিপিএল শুরু করেছিল যে দল, সেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স সবার আগে ফাইনালে উঠে গেলো। টানা ১০ জয়ে তারা ফের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে। রোববার প্রথম কোয়ালিফায়ারে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে কুমিল্লা, ট্রফিটা হাতে নিতে আর একটি জয় দরকার। এর আগে তিনবার ফাইনালে উঠে একবারও হারেনি কুমিল্লা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময় প্রত্যেকবারই কোচ ছিলেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার ফাইনালের প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে খেলবে রংপুর রাইডার্স। বিজয়ী দল যাবে ফাইনালে, ওই ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে চান সালাউদ্দিন? জানতে চাওয়া হয়েছিল রোববার ম্যাচ শেষে। উত্তরের শুরুতে রসিকতায় মেতে উঠে বলেন, ‘কেউ না থাকলেই ভালো (হাসি) ।
এরপর খুলে দিলেন কথার ঝাঁপি, ‘বাস্তবসম্মতভাবেভাবে বললে, সেরা চারে ওঠা সবাই ভালো দল। পুরো টুর্নামেন্টে সবাই ভালো খেলে এসেছে। প্রতিপক্ষ যেই হোক, আমাদের সেভাবে পরিকল্পনা করতে হবে। আমি বলতে পারি না কাদের চাচ্ছি। যারাই আসবে, তাদের সঙ্গে ওইদিন আমাদের ভালো খেলতে হবে। ওই ম্যাচ যদি ভালো খেলি, তাহলে জিততে পারবো, নয়তো পারবো না।’
শক্তি ও নামের বিচারে কুমিল্লার চেয়ে অনেক পিছিয়ে সিলেট। প্রথম কোয়ালিফায়ারে মাত্র ১২৫ রানে গুটিয়ে পাত্তাই পায়নি তারা। বোলিংয়ে লড়াই করলেও শেষ হাসি ঠিকই হেসেছে কুমিল্লা। এবারের মতো গত আসরেও কুমিল্লা শুরুতে ছন্দ পায়নি। লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ফাইনালে সাকিবের বরিশালকে হারিয়ে তারা জিতে নিয়েছিল শিরোপা।
সালাউদ্দিনের মতে, সেমিফাইনাল বা ফাইনালের মতো ম্যাচে স্নায়ু স্থির রাখতে পারলেই জেতা সম্ভব, দ্বিধায় থাকলেই বিপদ। কুমিল্লা বেশ কিছু খেলোয়াড়কে দলে পেয়েছে, যাদের গত বছরও ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে। লিটন, মোস্তাফিজ, তানবীর, ইমরুল এই দলের হয়ে শিরোপা জিতেছেন। মঈন আলী, সুনীল নারিনও ছিলেন সেই দলে। এবারো তারা আছেন। সঙ্গে আন্দ্রে রাসেল।
গোটা দল নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী সালাউদ্দিন। তবে স্নায়ু স্থির রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন কোচ, ‘আমি সব সময় মনে করি সেমিফাইনাল-ফাইনাল পুরোটাই স্নায়ুর খেলা। আমরা যাদেরকে নিয়েছি, তাদের প্রায় সবারই ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি।
এছাড়া স্থানীয় যাদেরকে নিয়েছি, তাদেরও ফাইনাল খেলার একটা অভ্যাস আছে। ফাইনাল নিয়ে, যত যাই বলেন না কেন আপনি চিন্তিত হবেনই। (কুমিল্লা) এখানে একটু এগিয়ে (গতবারের চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়) থাকতে পারে। যেহেতু অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বেশি আছে। ফাইনাল ম্যাচে যারা স্নায়ু ধরে রাখতে পারবে তারাই জিতবে। এটা আমাদের সুবিধা দেবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/ই.
































Recent Comments