বৃহস্পতিবার, ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeএক্সক্লুসিভবিনিয়োগকারীদের হতাশ করলো ২৯ কোম্পানি
spot_img
spot_img

বিনিয়োগকারীদের হতাশ করলো ২৯ কোম্পানি

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৯ কোম্পানি ২০১৯-২০ সমাপ্ত অর্থবছরের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোন প্রকার ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। এর মধ্যে কিছু কোম্পানি লাভে রয়েছে। মুনাফায় থাকার পরেও ডিভিডেন্ড না দেয়ার বিষয়টি সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা।

তথ্যমতে, সমাপ্ত অর্থবছরে ‘নো’ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ইপিএস লোকসান ১২৬.৩৯, শ্যামপুর সুগার ইপিএস লোকসান ২২১.৩৮ টাকা, জিল বাংলা সুগার ইপিএস লোকসান ৯৩.৬৯, জুট স্পিনার্স ইপিএস লোকসান ৪৫.৪৩, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর ইপিএস লোকসান ৩২.৩৫, জেমিনি সী ফুড ইপিএস লোকসান ৯.৮৩, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালস ইপিএস লোকসান ০.৫১, সেন্ট্রাল ফার্মা ইপিএস লোকসান ৯.২৮, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স ইপিএস লোকসান ৯.২০, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইপিএস লোকসান ৭.৫২, উসমানিয়া গ্লাস ইপিএস লোকসান ৭.২১, আরামিট সিমেন্ট ইপিএস লোকসান ৬.৮৬, সাফকো স্পিনিং ইপিএস লোকসান ৫.৬৯, জাহিনটেক্স ইপিএস লোকসান ৩.৭৭, সোনারগাঁও টেক্সটাইল ইপিএস লোকসান ৩.৭২, জাহিন স্পিনিং ইপিএস লোকসান ৩.৩৯, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ ইপিএস লোকসান ২.৮৭, মালেক স্পিনিং ইপিএস লোকসান ১.৬৮, দুলামিয় কটন ইপিএস লোকসান ১.২৮, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ ইপিএস লোকসান ১.১৬, আরএন স্পিনিং ইপিএস লোকসান ০.৮৮, সায়হাম টেক্সটাইল ইপিএস লোকসান ০.৮৬, সায়হাম কটন ইপিএস লোকসান ০.৬৪, অলিম্পিক এক্সোসরিজ ইপিএস লোকসান ০.৫২, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ ইপিএস লোকসান ০.৩০, ফেমিলিটেক্স ইপিএস লোকসান ০.১৫ টাকা। এছাড়া মুনাফায় থাকার পরেও ডিভিডেন্ড না দেয়া ৩ কোম্পানি হচ্ছে- জেনারেশন নেক্সট ইপিএস ০.০১ টাকা, বেঙ্গল উইন্ডসোর ইপিএস ০.১২ টাকা, গোল্ডেন হার্ভেস্ট ইপিএস ০.০৪ টাকা।

এ বিষয়ে গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, গেল কয়েক মাসে করোনা পরিস্থিতির কারণে কোম্পানিকে অনেক বাড়তি চাপ নিতে হয়েছে। অনেক ডিস্ট্রিবিউটর হারিয়ে গেছে, ফ্রিজ বন্ধ হয়েছে যাতে অনেক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কোম্পানির বিক্রি গেল বছরের তুলনায় ৪ কোটি টাকা কমে গেছে।

‌ইপিএস মাত্র ৪ পয়সা হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে কোম্পানি জানায়, করোনার কারণে কোম্পানির বিক্রি ৫০% এর নিচে নেমে গিয়েছিল। গোল্ডেন হার্ভেস্টের আইসক্রিমের সবচেয়ে বড় ব্যবসা হয় মার্চ মাস থেকে। কিন্তু চলতি মার্চ মাস থেকেই করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। যেখানে মার্চ থেকে জুন এই তিন মাসে সবচেয়ে বেশি আয় হয় সেখানেই এ সময়গুলোতে আইসক্রিমের ব্যবসা শুণ্যের কোটায় নেমে আসে। স্কুল-কলেজ বন্ধ, অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে কোম্পানির ফ্রোজেন ফুডের বিক্রিও ৫০% এর নিচে নেমে গেছে। এই তিন মাসে যে পরিমাণ লোকসান হয়েছে তা আগের ৯ মাসের আয়ের সঙ্গে সমন্বয় হয়ে ইপিএস এতো কম হয়েছে।

তবে করোনাকালীন সময়ে ভোক্তাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে তেহারি, মোরগ-পোলাও জাতীয় ইত্যাদি রেডি ফুড চালু করেছে।

রাইট শেয়ারের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে এখনো তারা রাইটের টাকা পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারিনি। রাইটের টাকা ব্যবহারের মাধ্যমে যে রিটার্ন আসবে সেটা এখনো শুরু হয়নি।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভালো, করোনার দোহায় দিয়ে কোম্পানি কতৃপক্ষ যা করছে তা অমানবিক। এ ২৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড না দেয়াটা সন্দেহজনক। নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিৎ এসব কোম্পানি কেন ডিভিডেন্ড দিলোনা তা সঠিক ভাবে তদন্ত করা। সঠিক তদন্দ হলেই কোম্পানিগুলোর আসল রুপ বেরিয়ে আসবে।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম এইচ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments