ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: শিক্ষকরা কোনো স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। যদি কেউ একান্তই চান তবে তাকে চাকরি ছাড়তে হবে আগে। ভবিষ্যতে এমন ব্যবস্থা চালু করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের ‘সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনে ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদ, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ ৪৯৩টি। পাশাপাশি কাউন্সিলর ও মেম্বার পদও অনেক। এসব নির্বাচনে অনেক সময় দেখা যায় অসংখ্য শিক্ষক অংশ নেন। ঠিক কতজন অংশ নেন বা নিতে পারেন, তা আমি বলছি না। তবে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অংশ নেন।
‘এটার ক্ষেত্রে সংবিধানে কোনো বাধা নেই। কিন্তু এতে ক্লাস-পড়াশোনার ক্ষতি হয়। ওই শিক্ষক নেতার জন্য অন্য শিক্ষক; এমনকি ছাত্র-ছাত্রীরাও ভোটের মাঠে নেমে পড়েন। সবমিলিয়ে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সেজন্য আমি বলেছি যেন একটা আইন হয়। সার্ভিসে থেকে, চাকরি করে, সরকারি অর্থ নিয়ে এভাবে নির্বাচন করে শিক্ষার ক্ষতি করা কাম্য নয়,’ যোগ করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউনেস্কোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ





























Recent Comments