বুধবার, ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeবিনোদনস্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দিয়ে ভাইরাল, জানা গেল সেই ব্যক্তির পরিচয়
spot_img
spot_img

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দিয়ে ভাইরাল, জানা গেল সেই ব্যক্তির পরিচয়

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের আকস্মিক পরিদর্শনের সময় ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রোগীদের খাবারের মান যাচাই করতে গিয়ে মন্ত্রী গরম তরকারি চামচে তুলে পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় পাশে থাকা এক ব্যক্তি চামচের খাবার ঠান্ডা করতে ফুঁ দেন। ঘটনাটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

পরে জানা যায়, ভিডিওতে দেখা ওই ব্যক্তি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. জি আর এম জিহাদুল ইসলাম রিয়াজ। তিনি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বাসিন্দা এবং ৩২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন।

গত ২৫ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ড, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা ও চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে রান্নাঘরে গিয়ে রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের গুণগত মানও পরীক্ষা করেন। সেই সময়ই ঘটে আলোচিত ঘটনাটি।

ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে ডা. রিয়াজ বলেন, খাবারটি অত্যন্ত গরম ছিল এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেটি ঠান্ডা করার উদ্দেশ্যেই তিনি ফুঁ দিয়েছিলেন। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

তার ভাষায়, “মন্ত্রী যে খাবারটি পরীক্ষা করতে নিয়েছিলেন, সেটি অনেক গরম ছিল। আমি পাশে ছিলাম বলে স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা করার চেষ্টা করেছি। পরে দেখলাম বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।”

মন্ত্রীকে খুশি করা বা তোষামোদ করার অভিযোগও নাকচ করেন তিনি। ডা. রিয়াজ বলেন, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ত এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। এত সমালোচনা হবে, সেটি তিনি কল্পনাও করেননি।

জানা গেছে, কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কাজ করার পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দেন। তিনি চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন।

মূল প্রতিবেদনের শেষ অংশে বলা হয়েছে, খাবারে ফুঁ দিলে মুখ থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইডের কারণে কার্বনিক অ্যাসিড তৈরি হয়ে রক্তের পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তবে এ দাবির পক্ষে শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাধারণত খাবারে ফুঁ না দেওয়ার পরামর্শ দেন মূলত মুখের জীবাণু বা লালার ক্ষুদ্র কণা খাবারে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার কারণে, বিশেষ করে যখন খাবারটি একাধিক ব্যক্তির জন্য পরিবেশন করা হয়।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments