বৃহস্পতিবার, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeপ্রধান সংবাদআগামী সপ্তাহে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু হবে: গভর্নর
spot_img
spot_img

আগামী সপ্তাহে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু হবে: গভর্নর

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আগামী সপ্তাহ থেকে দুর্বল পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন ২০২৫’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, ব্যাংক রেজ্যোলুশন অর্ডিন্যান্স পাঁচটি ব্যাংকে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে একীভূত করে একটি নতুন ব্যাংক গঠন হবে। ‘আমরা আশাবাদী আগামী সপ্তাহেই লঞ্চিং হয়ে যাবে। এতে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পেইড-আপ ক্যাপিটাল থাকবে। আমরা পাঁচ দুর্বল ব্যাংক নিয়ে একটি সবল ব্যাংক গঠন করতে যাচ্ছি। এতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে,’ বলেন তিনি।

এছাড়া ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে খেলাপি ঋণের যে চিত্র, সেখান থেকে উত্তরণের জন্য ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লাগবে বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর।

তিনি বলেন, ‘খেলাপি ঋণ ব্যাংকিং খাতে অনেক বড় একটা সমস্যা। বর্তমানে ৩৫ সশতাংশ খেলাপি ঋণ। এটা কোনো ছোটখাটো সমস্যা নয়। এক-তৃতীয়াংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়েছে। এটা ধরে নিয়েই আমাকে ব্যাংক খাত চালাতে হবে। আর এ চিত্র থেকে উত্তরণের জন্য পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যাবে।’

দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে (এনবিএফআই) আইন মোতাবেক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন গভর্নর। ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সব রকমের সাহায্য পাওয়া যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘কোন কোন ব্যাংক ও এনবিএফআই খারাপের দিকে যাচ্ছে, তাদের সতর্ক করা হবে এবং পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হবে না, বিশেষ কারণেও হবে না। যখন দরকার হবে, তখন করা হবে। এটার জন্য আইন করা হয়েছে, আলাদা বিভাগ করা হয়েছে। তাছাড়া ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন করতে যাচ্ছি। এতে সরকার পুরোপুরিভাবে কমিটেড।’

গভর্নর আরও বলেন, ‘আগামী দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার আসবে, তারা এটা অনুধাবন করবে। যেহেতু আর্থিক খাতে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেটা মোকাবিলা করার জন্য যে প্রক্রিয়াগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেটাকেও তারা বিশ্লেষণ করে সমর্থন করবে এবং এ প্রক্রিয়াকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডলার রয়েছে। আমি আগেও বলেছিলাম মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ডলার মার্কেটকে স্থিতিশীল করতে হবে। বর্তমানে ডলার মার্কেট স্থিতিশীল রয়েছে, বরং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি স্ট্যাবল রয়েছে। কারণ আমি গভর্নর হিসাবে যখন যোগদান করি তখন ডলারের দর ছিল ১২০ টাকা, আর এখন ১২২ টাকা ৫০ পয়সা। কোনো রকমের ইন্টারভেনশন হচ্ছেও না, আর পুরোপুরি মার্কেট-বেজড অপারেশন হচ্ছে। তাই আমরা যত ইচ্ছা আমদানি করতে পারব। কেউ যদি বলেন আমদানি করতে পারছেন না, তাহলে এটা ওনার সমস্যা। ব্যাংকে ডলারের কোনো অভাব নেই। আপনারা (ব্যবসায়ী) টাকা নিয়ে আসতে পারলে যেকোনো অ্যামাউন্টের এলসি খুলতে পারবেন। আর টাকা নিয়ে আসার দায়িত্ব আপনাদের। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সকল রকমের মার্জিন তুলে দিয়েছে।’

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments