ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ঢাকাসহ সারা দেশে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। একটু সতর্ক হলেই ডেঙ্গু থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে বাসায় থেকেই আরোগ্য লাভ করা যায়। এটাও মনে রাখতে হবে, জটিলতা দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চললে সহজেই এ রোগের জটিলতা এড়ানো সম্ভব। এ বিষয়ে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ডা.মো.শরীফ উদ্দিন ডেঙ্গু হলে যা করতে হবে, ডেঙ্গু রোগীর বিপদচিহ্নগুলো সম্পর্কে এবং বর্জনীয় কাজগুলো সম্পর্কে নির্দেশনা দেন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য করণীয়-
* রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা।
* প্রচুর পরিমাণে মুখে ওরস্যালাইন ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে (অন্তত তিন লিটার দৈনিক)।
* রোগীকে দিনের বেলায় মশারির ভিতর রাখা।
* জ্বর বা ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়ানো।
* বাড়ির আশপাশের মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা।
* নিম্নলিখিত বিপদচিহ্ন দেখামাত্র অনতিবিলম্বে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো।
ডেঙ্গু রোগীর বিপদচিহ্নগুলো হচ্ছে-
* পেটে তীব্র ব্যথা হওয়া।
* খুব বেশি বমি হওয়া বা বমি না থামা।
* মুখে একেবারেই খেতে না পারা।
* তন্দ্রাভাব বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
* খুব বেশি দুর্বল হয়ে পড়া।
* হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া।
* বুক ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট হওয়া।
* আলকাতরার মতো নরম কালো পাতলা পায়খানা হওয়া।
* ৪-৬ ঘণ্টার বেশি সময় প্রস্রাব না হওয়া।
* শরীরের কোনো স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়া (মহিলাদের মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্ত যাওয়া)।
এ সময় বর্জনীয় কাজগুলো হলো- বিএমডিসি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ না সেবন করা। মাংসপেশিতে কোনো ইঞ্জেকশন না নেওয়া। অযথা আতঙ্কিত বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত না হওয়া। এবং সুস্থ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে ভারি কোনো কাজ না করা।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.


































Recent Comments