ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক:
থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ক্লান্তি, ওজনের ওঠানামা ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও চিকিৎসা অপরিহার্য। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস দৈনন্দিন জীবনকে কিছুটা সহজ করতে সহায়তা করে। নির্দিষ্ট কিছু পুষ্টি উপাদান থাইরয়েডের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
থাইরয়েডের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় যেসব খাবার রাখা যেতে পারে—
১. সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার
সেলেনিয়াম থাইরয়েডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ। এটি থাইরয়েড হরমোন T3 ও T4 উৎপাদনে সহায়তা করে। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে সেলেনিয়ামসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ থাইরয়েডের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। ভেজানো ব্রাজিল নাট সেলেনিয়ামের ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।
২. আয়োডিনযুক্ত খাবার
আয়োডিনের ঘাটতি থাইরয়েড সমস্যার অন্যতম কারণ। থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যকারিতা ও হরমোন উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত আয়োডিন প্রয়োজন। আয়োডিনযুক্ত লবণ ও আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার
অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থাইরয়েড গ্রন্থির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বেরি, চেরি ও স্ট্রবেরির মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে এবং থাইরয়েডের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।
৪. জিঙ্ক
জিঙ্ক থাইরয়েডের কার্যকারিতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। পর্যাপ্ত জিঙ্ক গ্রহণ থাইরয়েড হরমোনের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। কুমড়োর বীজ জিঙ্কের একটি ভালো প্রাকৃতিক উৎস।
৫. ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ কমাতে এবং থাইরয়েডের সামগ্রিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়ক। তিসি বীজ, চিয়া বীজ ও শণের বীজে এই স্বাস্থ্যকর চর্বি পাওয়া যায়। পরিমিত পরিমাণে এগুলো খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ
































Recent Comments