
ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক:
দক্ষিণ কোরিয়া কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ‘রোলমডেল’ হিসেবে সামনে এসেছে। আক্রান্ত দেশের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও সরকারের নানা উদ্যোগেই ঠেকানো যাচ্ছে প্রাণহানি ও সংক্রমণের হার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত শনাক্ত করতে পারাতেই এর চিকিৎসা ও বিস্তার রোধে এগিয়ে আছে দেশটি।
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় চীনের পথে হাঁটেনি দক্ষিণ কোরিয়া। বেইজিংয়ের মতো আক্রান্ত এলাকা বিচ্ছিন্ন না করে ভাইরাসটি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে জোর দিয়েছে সিউল। পরিস্থিতি মোকাবেলায় নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি ভাইরাস শনাক্তে পরীক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছে তারা।
দক্ষিণ কোরিয়ার এ প্রস্তুতির পেছনে আছে ২০১৫ সালে চীনেই উৎপত্তি হওয়া মার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। তখন টেস্টিং কিট সঙ্কটে পড়েছিল দেশটি। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কোভিড-১৯ ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই কিট তৈরি করা শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। তাই এবার আর সঙ্কটে পড়তে হয়নি দেশটির।
এই কিটে মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যেই শনাক্ত করা যায় ভাইরাসটি। ৫০০-এর বেশি ল্যাবে এরই মধ্যে করা হয়েছে দুই লাখের বেশি মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সেখানে দিনে বিনাখরচে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারছেন ১০ হাজার মানুষ।
আক্রান্ত ব্যক্তির ১৪ দিনের কর্মকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে পাওয়া তথ্য দেয়া হচ্ছে সরকারি ওয়েবসাইটে। এমনকি কেউ আক্রান্ত হলেও তার আশপাশের মানুষকে সতর্কীকরণ বার্তাও পাঠাচ্ছে সরকার। আর যাতে সতর্ক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন কোরিয়ানরাও। ইন্ডিপেনডেন্টটিভি।






























Recent Comments