সোমবার, ২৪শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeখেলা-ধুলাদাবার চালে সাকলাইনের বাজিমাত
spot_img
spot_img

দাবার চালে সাকলাইনের বাজিমাত

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: নবম রাউন্ড শেষে গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের সমান ৭ পয়েন্ট সাকলাইন মোস্তফা সাজিদের। শিরোপা নির্ধারণে টাইব্রেকিং সিস্টেম অবলম্বন করা হয়। তাতে বাজিমাত করেছেন ক্যান্ডিডেট মাস্টার সাকলাইন। অনেক নাটকীয়তা আর টাইব্রেকিংয়ের পর আন্তর্জাতিক রেটিং দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন। শুক্রবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে টাইব্রেকিংয়ে জিয়াকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হন ১৩ বছর বয়সী এ ক্যান্ডিডেট মাস্টার।

জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের পর আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার শিরোপা জয়। সাকলাইন টানা দুই টুর্নামেন্ট জেতায় তাঁর রেটিং ২২০০ প্লাস করেছেন। ২৩০০ রেটিং স্পর্শ করলে ক্যান্ডিডেট মাস্টার থেকে ফিদে মাস্টারে উন্নীত হবেন। ফিদে মাস্টারের পর আইএম, তারপর জিএম। সাকলাইনের এত লম্বা পথ পাড়ি দিতে তাঁর পরিবার পাশে ছিল। গতকাল শেষ রাউন্ডের সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর বাবা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন বাবা-ছেলে। দাবার টানে পাবনা থেকে ঢাকায় আসা সাকলাইনের অভিভাবক তাঁর বড় বোন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করে ব্যাংকিং পেশায় সদ্য প্রবেশ করা সোহানা আফরোজ শোভা।

ক’দিনের মাথায় দুটি ট্রফি জেতা সাকলাইনের কাছে দুই রকমই মনে হচ্ছে, ‘দুই টুর্নামেন্টে শিরোপা জেতার আনন্দ দুই রকম। জুনিয়র টুর্নামেন্টটা জাতীয় পর্যায়ে– সেটার স্বাদ এক রকম। এটি রেটিং টুর্নামেন্ট হলেও দুই জিএম, আইএম আরও অনেক বড় দাবাড়ু খেলেছেন। তাই এই শিরোপার স্বাদও ভিন্ন রকম।

গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের সাকলাইনের সমান সাড়ে ৭ পয়েন্ট। ৯ রাউন্ডের খেলায় অধিকতর রেটিং প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলায় সাকলাইনের ২ পয়েন্ট বেশি জিয়ার চেয়ে। খানিকটা সূক্ষ্ম ব্যবধানে শিরোপা হারালেও কষ্ট নেই দেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের, ‘সাকলাইন বেশ মেধাবী দাবাড়ু। জুনিয়রের পর আবার এই টুর্নামেন্ট জিতল। আমি অনেক টুর্নামেন্টেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি এর চেয়ে ও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এটা ওর এবং দাবা– উভয়ের জন্যই বরং ভালো।

এই টুর্নামেন্টটি হয়েছে সুইস লিগ পদ্ধতিতে। সাকলাইন চ্যাম্পিয়ন হলেও দুই গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান ও রিফাত বিন সাত্তারের সঙ্গে খেলা পড়েনি। আন্তর্জাতিক মাস্টার মিনহাজ উদ্দিন সাগরের বিপক্ষে খেলে পয়েন্ট আদায় করেছেন সাকলাইন। সাকলাইন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খবরে ফেডারেশনে ছুটে এসেছেন ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শোয়েব রিয়াজ আলম। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সাকলাইনের হাতে ১৫ হাজার টাকা প্রদানের পাশাপাশি একটি ল্যাপটপ দেওয়ার ঘোষণা দেন।

সাকলাইন তাঁর আজকের অবস্থানের পেছনে বাংলাদেশ পুলিশ ক্লাবকেই অবদান দিলেন, ‘পুলিশ ক্লাবের কারণেই আমি দাবায় এই পর্যায়ে এসেছি। এর পুরো অবদান কোচ শাকিল স্যার ও শোয়েব স্যারের।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments