ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: শামার জোসেফের ডাউন দ্য লেগ বলটা ফ্লিক করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন স্কয়ার লেগে। সুযোগ ছিল একটা সিঙ্গেলের। সেটা নিয়ে নিলেই মাইলফলকটা ছুঁয়ে ফেলতে পারতেন। কিন্তু তাওহিদ হৃদয় সুযোগটা নেননি। হাতে যখন উইকেট আছে মোটে ২টি, তখন কোনো ওভারের শুরুতে টেল এন্ডারকে স্ট্রাইক দিয়ে দেওয়াটা শেষ স্বীকৃত ব্যাটারের কাজ নয়।
পরের বলেই পিচড আপ ডেলিভারি পেলেন, দারুণ টাইমিংয়ে তা পাঠালেন মিড উইকেট দিয়ে সীমানার বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিকে ১৫০-তে রূপ দেওয়া হয়ে গেল তাওহিদ হৃদয়ের।
তাতে একটা রেকর্ডও গড়া হয়ে গেল তার, এমন এক রেকর্ড যা বাংলাদেশ দেখেনি আর কখনো। সবচেয়ে কম টেস্ট খেলে ক্যারিয়ারের প্রথম ১৫০’র দেখা পাওয়া বাংলাদেশি ব্যাটার বনে গেছেন হৃদয়। ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টে প্রথম ১৫০’র দেখা পেয়ে গেছেন তিনি।
সিলেটের উইকেটটা এখনও ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ অনুকূল। তবে পরিস্থিতিটা কঠিন হয়ে গিয়েছিল সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে। একটা সময় তো ফলো অনে পড়াটাকেও খুব সম্ভব বলে মনে হচ্ছিল। তবে হৃদয় শুরুতে সে শঙ্কাটাকে বিদায় করেছেন।
ওপাশে সতীর্থদের ফেরা দেখেছেন একে একে, একটা সময় ১৮৪ রান তুলতেই চলে গিয়েছিল ৭ উইকেট। সাদমান ইসলাম ব্যাট করতে পারবেন না এই ইনিংসে, যার ফলে উইকেট একটা নেই হয়ে আছে ব্যাটিং শুরুর আগেই। ফলে উইকেট হাতে ছিল আর মোটে ২টি।
এমন সময় তাইজুলকে পেলেন। এই জুটিতে দারুণ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিলেন। জুটির দুই তৃতীয়াংশ ডেলিভারি তিনিই খেললেন। সেঞ্চুরিটা প্রথম সেশনেই পেয়ে গিয়েছিলেন। দ্বিতীয় সেশনে নেমে শুরু করলেন আক্রমণ। সেঞ্চুরি যেখানে ছুঁয়েছিলেন ১৭১ বলে, সেখান থেকে আর ৬৪ বল খেলে ছুঁয়েছেন ১৫০’র মাইলফলক। এই সময়ে ৩টি চারের পাশাপাশি হাঁকিয়েছেন ৪টি বিশাল ছক্কা।
বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম সময়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ১৫০ পাওয়া ক্রিকেটারটি এর আগ পর্যন্ত ছিলেন মুমিনুল হক। চতুর্থ টেস্টে এই নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে তিনি খেলেছিলেন ১৮১ রানের ইনিংস। সেই রেকর্ডের ১৩ বছর পর এবার তা কেড়ে নিলেন হৃদয়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ


































Recent Comments