ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বর্ষা শুরু হলেই জলবাহিত অসুখের প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। আর তাই বর্ষা এলেই পেটের সংক্রমণ নিয়ে ভাবনা শুরু হয় সবার। বৃষ্টির পানি অনেক সময় ডায়রিয়ার মতো আন্ত্রিক রোগ ছড়ায়। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারন করে। ডায়রিয়া ছাড়াও পেট খারাপ, বমি, ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যায় ভুগে অনেকে। এ সমস্যার প্রধান কারণ হলো পানি ঠিকঠাক ফিল্টার করতে না পারা।

এই সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো পেটের রোগ যার প্রধান কারণ হলো ই-কোলাই নামক ব্যাকটেরিয়া যা সচরাচর মলে থাকে। কোন ভাবে যদি মলের বা বাথরুমের পানি কোনো কারণে যদি সুপেয় পানির সংস্পর্শে আসে তখন তা নানান ধরণের পেটের অসুখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শুধু খাবার পানি থেকেই আপনার পানিবাহিত রোগ হবে এটি একটি ভুল ধারণা। দূষিত পানিতে গোসল করা বা মুখ-হাত ধোয়ার মাধ্যমেও এ ধরনের রোগ হতে পারে।
এছাড়া সুইমিং পুলের অপরিষ্কার পানিতে সাঁতার কাটার সময়ে ভুলক্রমে মুখে পানি ঢুকে গেলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এ সমস্যা থেকে বাচতে কিছু বিষয় লক্ষ রাখা জরূররি। যেমন আপনার প্রস্রাব ঠিকমতো হচ্ছে কি-না দেখতে হবে। যদি না হয় তাহলে ওআরএস দিতে হবে। যার ফলে শরীরে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট, পটাশিয়াম ক্লোরাইড ঢুকলে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
তাছাড়া চিকিৎসকদের মতে পাঁচ বারের বেশি পাতলা মল হলে তখন স্যালাইনের ব্যবস্থা করতে হবে। পায়খানার সঙ্গে রক্ত বেরুলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ‘স্টুল কালচার’ করাতে হবে।খাওয়াদাওয়ায় বেশি নজর দিতে হবে এই সময়ে। রাস্তার স্ট্রিট ফুড এমনকি খাওয়া যাবে না এছাড়া কাঁচা শাকসবজি খাওয়া যাবে না কারণ ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে এতে। বাইরে থেকে ফল কিনে এনে খেলে, তা ভালো করে ধুয়ে খেতে হবে। শাকসবজি ভালো করে সেদ্ধ করে রান্না করতে হবে। শিশুদের শরীরে যেহেতু পটাশিয়াম দ্রুত কমে যায় তাই লেবুর রস, কলা, , পেঁপে এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেতে হবে দিতে হবে। যার ফলে শরীরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ঢোকার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/ই.


































Recent Comments