ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: অকালে চেহারায় বার্ধক্য, শরীরে জীর্ণতা দেখা দেওয়া, চামড়া ঝুলে যাওয়া বা চামড়ার ইলাস্টিসিটি কমে যাওয়া আমারা প্রায়ই দেখি।অনেকের কাছে এগুলো বিরল রোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ, আবার অনেকের কাছে এটি শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ। মূলত, এক ধরণের প্রোটিনের অভাবে আমরা এসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। সেটি হলো কোলাজেন।
মানবদেহের ২৫% থেকে ৩৫% প্রোটিন থাকে কোলাজেন। এটি শরীরের বিভিন্ন সংযোগকারী টিস্যুর বহির্কোষী ম্যাট্রিক্সের প্রধান কাঠামোগত প্রোটিন। সংযোগ টিস্যুর প্রধান উপাদান হিসেবে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মাঝে সর্বাধিক পরিমাণে থাকে প্রোটিন কোলাজেন। এছাড়াও, তরুণাস্থি, হাড়, টেন্ডন, লিগামেন্ট এবং ত্বকের গঠনগত প্রোটিন কোলাজেন। কোলাজেন সাধারণত ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকের কোলাজেনের মাত্রা কমতে থাকে। এতে আমাদের শরীরের চামড়া ঢিলে হতে থাকে এবং বার্ধক্য দৃশ্যমান হয়। কিন্তু কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার বয়স বাড়ার এই প্রক্রিয়াকে ধীর গতি করে দিতে পারে। অনেকে কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার চেয়ে যেসব খাবারে সরাসরি কোলাজেন পাওয়া যায় তাদেরকে বেশি উপকারী বলে থাকেন। একটি বয়সের পর আমাদের শরীর কোলাজেন উৎপাদূকরতছ পারে না। তাই বয়স বাড়ার সাথে সাথে পর্যাপ্ত কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।
অ্যামিনো এসিড ও প্রোটিনের অন্যতম উৎস হলো ডিম, যা আমাদের শরীরে কোলাজেন উৎপাদনের জন্য কোলাজেন সরবরাহ করে থাকে। ডিমের মতো শিম ও কলাই এর বীজও কোলাজেন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার। যেমন- লেবু, কমলা, আঙুর, স্ট্রবেরি, আম, আনারস, পেয়ারা, টমেটো এবং ব্রোকলি। এগুলো শরীরে কোলাজেন উৎপাদন ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। এসবের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার আমাদের দেহে কোলাজেন উৎপাদনে ভৃমিকা রাখে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মালবেরি, দারুচিনি, যষ্টিমধু, গ্রিন টি, ডালিম।
পুদিনা পাতা, অরিগানো, রাইম পাতা ও সবুজ শাকসবজি থেকে এক ধরণের তেল নিঃসরণ হয় যা মানবদেহে কোলাজেন উৎপাদনে সহায়ক। এছাড়াও মাংসের হাড়ের ঝোল, চামড়াসহ মাছ ও শেলফিশ, মুরগির মাংস মত খাবার থেকে প্রাকৃতিকভাবে কোলাজেন পাওয়া যায়।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এস.
































Recent Comments