ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংশোধিত বিধিমালায় মার্জিন-সুবিধাযোগ্য শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত সর্বোচ্চ ৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো গত ১২ মাসের আয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্য-আয় অনুপাত নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে শুধু সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আয় নয়, কোম্পানির সাম্প্রতিক আয়-ধারাবাহিকতাও মার্জিন ঋণের যোগ্যতা নির্ধারণে বিবেচনায় আসবে।
১৭ আগস্ট প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটের সংশোধনীতে মার্জিন ঋণসংক্রান্ত একাধিক বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবস্থায় বিভিন্ন সময়ে নীতিমালা পরিবর্তন করা হলেও এবারের সংশোধনীতে শুধু ঋণের পরিমাণ বা অনুপাত পরিবর্তনের মধ্যে বিষয়টি সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। বরং কোন শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়া যাবে, বিনিয়োগকারীর নিজস্ব মূলধনের নিরাপত্তা কতটুকু থাকবে, কখন সতর্কবার্তা দিতে হবে এবং কোন পরিস্থিতিতে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান শেয়ার বিক্রি করতে পারবে—এসব বিষয়কে আরও সুনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১১ আগস্ট বিএসইসির নিয়মিত সভায় সংশোধিত মার্জিন ঋণ বিধিমালা অনুমোদন করা হয়। এর আগে বিধিমালাটির খসড়া প্রকাশ করে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হয়েছিল। খসড়া প্রকাশের পর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাজারসংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিশেষ করে মার্জিন-সুবিধাযোগ্য শেয়ারের মূল্যায়ন ও বিনিয়োগকারীর ইক্যুইটির সীমা নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত বিধিমালায় খসড়ার কয়েকটি কঠোর শর্ত শিথিল করা হয়েছে।
সর্বোচ্চ মূল্য-আয় অনুপাত ৪০
সংশোধিত বিধিমালায় মার্জিন ঋণের যোগ্যতা নির্ধারণে মূল্য-আয় অনুপাতকে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড করা হয়েছে। জীবনবীমা খাত ছাড়া অন্যান্য খাতের মার্জিন-সুবিধাযোগ্য শেয়ারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মূল্য-আয় অনুপাত ৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে এবারের বিধিমালার উল্লেখযোগ্য নতুনত্ব হলো, মূল্য-আয় অনুপাত নির্ধারণে শুধু সর্বশেষ নিরীক্ষিত শেয়ারপ্রতি আয়কে ভিত্তি করা হবে না। বরং গত ১২ মাসের আয় বিবেচনায় নিয়ে অনুপাত নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে। কোম্পানি নতুন ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সেই অনুযায়ী অনুপাতও হালনাগাদ হবে। গেজেটে গত ১২ মাসের আয়ভিত্তিক মূল্য-আয় অনুপাতের সংজ্ঞা ও হিসাবের পদ্ধতিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, এটি আগের ব্যবস্থার তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কারণ কোনো কোম্পানির সর্বশেষ এক বছরের আয় সাময়িকভাবে কমে গেলে শুধু সেই আয়ের ওপর ভিত্তি করে শেয়ারের মূল্যায়ন করলে প্রকৃত আর্থিক চিত্র সবসময় পাওয়া যায় না। গত ১২ মাসের আয় বিবেচনায় নেওয়ার ফলে কোম্পানির সাম্প্রতিক আয়-ধারাবাহিকতা মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হবে।
মূল্য-অনুপাতের ক্ষেত্রে পরিবর্তন
খসড়া বিধিমালায় ব্যাংক ও বীমা কোম্পানির শেয়ারের ক্ষেত্রে মূল্য-অনুপাতের আলাদা সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব ছিল। চূড়ান্ত বিধিমালায় সেই প্রস্তাব থেকে সরে এসে মূল্য-আয় অনুপাতকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে গেজেটে মূল্য-অনুপাতের বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়নি। কোনো কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ঋণাত্মক হলে মূল্য-আয় অনুপাত দিয়ে মূল্যায়নের পরিবর্তে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যের অনুপাত বিবেচনার বিধান রাখা হয়েছে। আবার কোনো কোম্পানির নিট সম্পদমূল্য ঋণাত্মক হলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের ক্ষেত্রে মার্জিন ঋণের যোগ্যতা নিয়ে সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ কোম্পানির আয় ও সম্পদের প্রকৃত অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই মার্জিন ঋণের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিনিয়োগকারীর জন্য কিছুটা স্বস্তি
মার্জিন ঋণ ব্যবস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে বিনিয়োগকারীর ইক্যুইটি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে। সংশোধিত বিধিমালায় বিনিয়োগকারীর ইক্যুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এরপর ইক্যুইটি ২৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে আগাম সতর্কবার্তা ছাড়াই বিনিয়োগকারীর শেয়ার বা সিকিউরিটিজ বিক্রি করার সুযোগ থাকবে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের।
খসড়া বিধিমালায় এর চেয়ে কঠোর ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছিল। সেখানে ইক্যুইটি ৭০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে মার্জিন তাগাদা দেওয়ার এবং ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে আগাম নোটিশ ছাড়াই শেয়ার বিক্রির সুযোগ রাখার প্রস্তাব ছিল। চূড়ান্ত বিধিমালায় সেই সীমা শিথিল করা হয়েছে। গেজেটে রক্ষণাবেক্ষণ মার্জিন, ঘাটতি পূরণ এবং পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়গুলোও বিস্তারিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর ফলে বিনিয়োগকারীকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের অর্থের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এক শেয়ারে অতিরিক্ত ঋণ কেন্দ্রীভূত করা যাবে না
এবারের সংশোধনীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো একটি নির্দিষ্ট শেয়ারে অতিরিক্ত পরিমাণ মার্জিন ঋণ কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি কমানো।
গেজেটে একটি শেয়ারে মার্জিন অর্থায়নের মোট বকেয়া ঋণের সীমা নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে। ফলে কোনো একটি শেয়ারে অতিরিক্ত পরিমাণ ঋণ দিয়ে ঝুঁকি কেন্দ্রীভূত করার সুযোগ সীমিত হবে।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের সময় একটি নির্দিষ্ট শেয়ারে বিপুল পরিমাণ মার্জিন ঋণ থাকলে একদিকে বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন, অন্যদিকে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানও ঝুঁকিতে পড়ে। আবার বাধ্যতামূলকভাবে শেয়ার বিক্রির চাপ তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর আরও কমে যেতে পারে। তাই একক শেয়ারে ঋণের ঝুঁকি সীমিত করার এই উদ্যোগকে বাজারের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
‘এ’ ও ‘বি’ শ্রেণির শেয়ারে সীমাবদ্ধ
সংশোধিত বিধিমালায় সব ধরনের শেয়ারের জন্য মার্জিন ঋণের সুযোগ রাখা হয়নি। ‘জেড’, ‘এন’ ও ‘জি’ শ্রেণির শেয়ার মার্জিন সুবিধার বাইরে থাকবে। একইভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বাজার, বিকল্প লেনদেন ব্যবস্থা এবং অতালিকাভুক্ত বা পৃথক লেনদেন ব্যবস্থার আওতাধীন সিকিউরিটিজও মার্জিন ঋণের জন্য অযোগ্য থাকবে।
ফলে মূল বাজারের নির্দিষ্ট শ্রেণির শেয়ারই মার্জিন ঋণের সুবিধা পাবে। এর মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে বেশি লেনদেনযোগ্য ও নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশকারী কোম্পানির শেয়ারে ঋণনির্ভর বিনিয়োগ সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
ঋণের অনুপাত এক-এক
সংশোধিত বিধিমালায় সাধারণ সিকিউরিটিজের জন্য মার্জিন ঋণের অনুপাত এক-এক নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো বিনিয়োগকারী নিজের মূলধনের সমপরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন।
এতে বিনিয়োগকারীর ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ও তারল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনাও তৈরি হবে। তবে ঋণের সুযোগ বাড়ার সঙ্গে ঝুঁকিও বাড়বে। কারণ বাজারে বড় ধরনের দরপতন হলে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করা বিনিয়োগকারীর ক্ষতির পরিমাণ নিজস্ব মূলধনের তুলনায় দ্রুত বাড়তে পারে।
এবারের বিধিমালায় শুধু বিনিয়োগকারীর ঝুঁকি নয়, মার্জিন ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। গেজেটে প্রতিষ্ঠানের মূলধন ও নিট সম্পদের সঙ্গে মার্জিন অর্থায়নের সম্পর্ক নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।
এর ফলে কোনো ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান নিজের আর্থিক সক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত মার্জিন ঋণ বিতরণ করলে তার ওপর যে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, সেটি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকবে। অর্থাৎ নতুন কাঠামোয় বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিকেও হিসাবের মধ্যে আনা হয়েছে।
শুধু ঋণ নয়, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাই বড় বিষয়
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে মার্জিন ঋণের নীতিমালা নিয়ে গত কয়েক বছরে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। কখনো ঋণের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে, আবার কখনো বাজারে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় শর্ত কঠোর করা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশের মধ্যে নীতিমালার স্থায়িত্ব ও পূর্বানুমেয়তা নিয়ে প্রশ্নও তৈরি হয়েছে।
এবারের সংশোধনীর বৈশিষ্ট্য হলো, শুধু কত টাকা ঋণ দেওয়া যাবে—এই প্রশ্নের পাশাপাশি কোন শেয়ারে ঋণ দেওয়া হচ্ছে, শেয়ারের মূল্যায়ন কতটা যৌক্তিক, বিনিয়োগকারীর নিজস্ব মূলধন কতটা আছে এবং দরপতনের সময় ঋণের ঝুঁকি কীভাবে সামলানো হবে—এসব বিষয়কে একসঙ্গে বিবেচনায় আনা হয়েছে।
মূল্য-আয় অনুপাত, গত ১২ মাসের আয়ভিত্তিক মূল্য-আয় অনুপাত, মূল্য-অনুপাত, প্রাথমিক ও রক্ষণাবেক্ষণ মার্জিন, সতর্কবার্তা, বাধ্যতামূলক শেয়ার বিক্রি, একক শেয়ারে ঋণের সীমা এবং ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের মূলধন সক্ষমতা—সব মিলিয়ে এবারের সংশোধনীতে মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাকে আরও ঝুঁকিভিত্তিক করার চেষ্টা স্পষ্ট।
তারল্য বাড়বে, নাকি বাড়বে ঝুঁকি?
নতুন বিধিমালার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে বাস্তব প্রয়োগে। একদিকে এক-এক অনুপাতে ঋণের সুযোগ এবং বিনিয়োগকারীর ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার ফলে বাজারে তারল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে ঋণনির্ভর বিনিয়োগ বেড়ে গেলে জল্পনামূলক লেনদেনও বাড়তে পারে।
বিশেষ করে বাজারে হঠাৎ বড় দরপতন হলে বিনিয়োগকারীদের ইক্যুইটি দ্রুত কমে যেতে পারে। তখন একসঙ্গে অনেক বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রির প্রয়োজন হলে বাজারে বিক্রির চাপ বাড়তে পারে। আর সেই বিক্রির চাপ যদি আরও দরপতন সৃষ্টি করে, তাহলে মার্জিন ঋণ বাজারের জন্য সহায়ক হওয়ার পরিবর্তে অস্থিরতার কারণও হয়ে উঠতে পারে।
তাই নতুন বিধিমালার সাফল্য নির্ভর করবে ঋণের সুযোগ কতটা বাড়ানো হলো, তার চেয়ে বেশি—ঋণের বিপরীতে ঝুঁকি কতটা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে তার ওপর।
‘ঋণ কত’ থেকে ‘ঝুঁকি কত’—নীতির দর্শনে পরিবর্তন
সব মিলিয়ে এবারের সংশোধনীকে বাংলাদেশের মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা যায়। কারণ এবার শুধু ঋণের সীমা নির্ধারণ নয়, শেয়ারের মৌলিক মূল্যায়ন, বিনিয়োগকারীর নিজস্ব মূলধন, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা এবং বাজারে দরপতনের সময় সম্ভাব্য ঝুঁকিকেও একই কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে।
তবে পুঁজিবাজারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নীতির ধারাবাহিকতা। বারবার নীতিমালা পরিবর্তন হলে বিনিয়োগকারী ও বাজার মধ্যস্থতাকারীদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। তাই এবারের সংশোধনী কার্যকর করার পর এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন হলে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে পরিবর্তন আনা জরুরি।
কারণ একটি কার্যকর মার্জিন ঋণনীতি এমন হওয়া প্রয়োজন, যেখানে একদিকে বিনিয়োগকারীর বৈধ ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ থাকবে, অন্যদিকে অতিরিক্ত ঋণনির্ভর জল্পনা, একক শেয়ারে ঝুঁকি কেন্দ্রীভূত হওয়া এবং বাজারে বাধ্যতামূলক বিক্রির চাপ—কোনোটিই যেন পুরো বাজারের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে না ফেলে।
সেই দিক থেকে এবারের পরিবর্তনের মূল বার্তা একটাই—শুধু ঋণের পরিমাণ নয়, ঋণের বিপরীতে তৈরি হওয়া ঝুঁকিকেই এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ
































Recent Comments